ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

বক্তব্যের জন্য মেয়র আনিসুল হকের দুঃখ প্রকাশ

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

‘চিকুনগুনিয়া মহামারি হোক আর যা-ই হোক, এর জন্য কোনোভাবেই সিটি করপোরেশন দায়ী নয়। আর বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা তাদের পক্ষে সম্ভব না।’ গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে করা এমন মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক।

আনিসুল হক বলেছেন, ‘গতকাল একজন সাংবাদিক বন্ধু একটি প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা মশারি নিয়ে সচেতনতা তৈরি করছি কি না? আমি আমাদের সচেতনতামূলক পোস্টারে মশারির ছবি দেখিয়ে ওই কথা বলেছিলাম। কিন্তু যেভাবে বলেছি, তা ঠিকভাবে বলতে পারিনি-হতে পারে।’

মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, আমার বক্তব্য যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, সেটি আমার বোধগম্য নয়। আমরা বলতে চেয়েছি যে বাড়ির ভেতরে ঢোকার অধিকার আমাদের সেভাবে নেই। তারপরও আমার বক্তব্য যদি কারও খারাপ লেগে থাকে, তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

আজ শনিবার উত্তর সিটি করপোরেশন ভবনের সামনে থেকে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এক র‌্যালির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলেও আশার কথা শুনিয়েছেন মেয়র আনিসুল। চিকুনগুনিয়ার বাহক এডিস মশা মারতে যা যা করার, আমরা করছি, করবো এমন দাবিও করেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা আলাদা দিনে এরকম বৃহৎ পরিসরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলবে। মশক নিধন কার্যক্রমে কেউ অবহেলা করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেখানে ৫ দিন পর পর মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগের কথা, সেখানে আমরা তিন দিন পর পর প্রয়োগ করছি।

মেয়র বলেন, আমাদের এলাকার সমস্ত রাস্তার তালিকা করেছি। মশক নিধন কর্মীরা সে অনুযায়ী কাজ করবেন। আর এলাকার মানুষ যদি মশক নিধক কর্মীদের দিয়ে আশানুরুপ ফল না পান, তাহলে সেসব মশক নিধককর্মীদের বেতন দেয়া হবে না। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে এই চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সার্বিক কার্যক্রম চালব। এ জন্য জনগনকে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে।

র‌্যালিতে ডিএনসিসির কর্মকতা-কর্মচারী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

বক্তব্যের জন্য মেয়র আনিসুল হকের দুঃখ প্রকাশ

আপডেট সময় ০২:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

‘চিকুনগুনিয়া মহামারি হোক আর যা-ই হোক, এর জন্য কোনোভাবেই সিটি করপোরেশন দায়ী নয়। আর বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মশা মারা তাদের পক্ষে সম্ভব না।’ গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে করা এমন মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক।

আনিসুল হক বলেছেন, ‘গতকাল একজন সাংবাদিক বন্ধু একটি প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা মশারি নিয়ে সচেতনতা তৈরি করছি কি না? আমি আমাদের সচেতনতামূলক পোস্টারে মশারির ছবি দেখিয়ে ওই কথা বলেছিলাম। কিন্তু যেভাবে বলেছি, তা ঠিকভাবে বলতে পারিনি-হতে পারে।’

মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, আমার বক্তব্য যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে, সেটি আমার বোধগম্য নয়। আমরা বলতে চেয়েছি যে বাড়ির ভেতরে ঢোকার অধিকার আমাদের সেভাবে নেই। তারপরও আমার বক্তব্য যদি কারও খারাপ লেগে থাকে, তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

আজ শনিবার উত্তর সিটি করপোরেশন ভবনের সামনে থেকে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত এক র‌্যালির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলেও আশার কথা শুনিয়েছেন মেয়র আনিসুল। চিকুনগুনিয়ার বাহক এডিস মশা মারতে যা যা করার, আমরা করছি, করবো এমন দাবিও করেন তিনি।

আনিসুল হক বলেন, আমাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা আলাদা দিনে এরকম বৃহৎ পরিসরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলবে। মশক নিধন কার্যক্রমে কেউ অবহেলা করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেখানে ৫ দিন পর পর মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগের কথা, সেখানে আমরা তিন দিন পর পর প্রয়োগ করছি।

মেয়র বলেন, আমাদের এলাকার সমস্ত রাস্তার তালিকা করেছি। মশক নিধন কর্মীরা সে অনুযায়ী কাজ করবেন। আর এলাকার মানুষ যদি মশক নিধক কর্মীদের দিয়ে আশানুরুপ ফল না পান, তাহলে সেসব মশক নিধককর্মীদের বেতন দেয়া হবে না। আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে এই চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সার্বিক কার্যক্রম চালব। এ জন্য জনগনকে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে।

র‌্যালিতে ডিএনসিসির কর্মকতা-কর্মচারী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, কাউন্সিলর, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।