ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

টিকিটের দাম দিয়ে দর্শকরা শিল্পীর গান শুনতে আসেন, কেবল তার উপস্থিতি দেখতে নয়— এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী সংগীত জগতের জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের অনেক নামজাদা গায়ককেই দেখেছেন— লাইভ কনসার্টে লাইভ গান করেন না। পেছন থেকে রেকর্ড করা ট্র্যাক (গান) বাজে এবং তারা শুধু ঠোঁট মেলান, যাকে বলে লিপ সিংকিং। এই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি নিয়েই এবার তোপ দাগলেন শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গান না গাওয়াটা একজন শিল্পীর চরম অপেশাদারত্ব।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অংশ নিয়ে গায়িকা বলেন, আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে লাইভ কনসার্টে লিপ সিংকিং করে। এটা কেবল দর্শকদের ঠকানো নয়, এটা নিজের প্রতিও অবিচার করা। তিনি বলেন, এটাকে আমি আলস্য ছাড়া আর কিছুই বলব না। মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ এবং চ্যালেঞ্জ থাকে, তা রেকর্ড করা গানের ওপর ঠোঁট মিলিয়ে পাওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

আজকাল অনেক গায়কই মঞ্চে নাচের পারফরম্যান্স বা জৌলুস বাড়াতে গিয়ে গানে ফাঁকি দেন বলেও মনে করেন গায়িকা। তিনি বলেন, টেকনোলজি সাহায্য করতে পারে, কিন্তু তা গলার পরিপূরক হতে পারে না। দর্শকরা আপনার ত্রুটিসহ লাইভ গান শুনতে চান। সিডির নিখুঁত গান তো তারা বাড়িতেই শুনতে পারেন। স্টেজে এসে সেটা কেন শোনাব?

শ্রেয়ার এমন মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের প্রশংসার জোয়ার ভাসছেন। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তাকে সমর্থন করে লিখেছেন— আজকের অটোটিউন আর লিপ-সিংকিংয়ের যুগে শ্রেয়া ঘোষালই আসল গানের মশাল বয়ে নিয়ে চলেছেন। অনেকেই আবার আকার-ইঙ্গিতে সেসব গায়কদের বিঁধছেন, যারা স্টেজে স্টান্ট করতে গিয়ে গান গাইতে ভুলে যান।

শ্রেয়া, সুনীধি, সোনুর মতো শিল্পীরা কোনোদিনই মঞ্চে লিপ সিংক করায় বিশ্বাসী নন। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সুরে গান গাইতেও সিদ্ধহস্ত তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মঞ্চে গান ফাঁকি দিয়ে শুধু ঠোঁট নাড়ানো গায়কদের ধুয়ে দিলেন শ্রেয়া ঘোষাল

আপডেট সময় ০৪:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

টিকিটের দাম দিয়ে দর্শকরা শিল্পীর গান শুনতে আসেন, কেবল তার উপস্থিতি দেখতে নয়— এই মন্ত্রেই বিশ্বাসী সংগীত জগতের জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। গত কয়েক বছর ধরে বলিউডের অনেক নামজাদা গায়ককেই দেখেছেন— লাইভ কনসার্টে লাইভ গান করেন না। পেছন থেকে রেকর্ড করা ট্র্যাক (গান) বাজে এবং তারা শুধু ঠোঁট মেলান, যাকে বলে লিপ সিংকিং। এই ‘শর্টকাট’ পদ্ধতি নিয়েই এবার তোপ দাগলেন শ্রেয়া ঘোষাল। তিনি বলেন, মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গান না গাওয়াটা একজন শিল্পীর চরম অপেশাদারত্ব।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অংশ নিয়ে গায়িকা বলেন, আমি বুঝি না মানুষ কীভাবে লাইভ কনসার্টে লিপ সিংকিং করে। এটা কেবল দর্শকদের ঠকানো নয়, এটা নিজের প্রতিও অবিচার করা। তিনি বলেন, এটাকে আমি আলস্য ছাড়া আর কিছুই বলব না। মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাইভ গাওয়ার মধ্যে যে আনন্দ এবং চ্যালেঞ্জ থাকে, তা রেকর্ড করা গানের ওপর ঠোঁট মিলিয়ে পাওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল।

আজকাল অনেক গায়কই মঞ্চে নাচের পারফরম্যান্স বা জৌলুস বাড়াতে গিয়ে গানে ফাঁকি দেন বলেও মনে করেন গায়িকা। তিনি বলেন, টেকনোলজি সাহায্য করতে পারে, কিন্তু তা গলার পরিপূরক হতে পারে না। দর্শকরা আপনার ত্রুটিসহ লাইভ গান শুনতে চান। সিডির নিখুঁত গান তো তারা বাড়িতেই শুনতে পারেন। স্টেজে এসে সেটা কেন শোনাব?

শ্রেয়ার এমন মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের প্রশংসার জোয়ার ভাসছেন। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ তাকে সমর্থন করে লিখেছেন— আজকের অটোটিউন আর লিপ-সিংকিংয়ের যুগে শ্রেয়া ঘোষালই আসল গানের মশাল বয়ে নিয়ে চলেছেন। অনেকেই আবার আকার-ইঙ্গিতে সেসব গায়কদের বিঁধছেন, যারা স্টেজে স্টান্ট করতে গিয়ে গান গাইতে ভুলে যান।

শ্রেয়া, সুনীধি, সোনুর মতো শিল্পীরা কোনোদিনই মঞ্চে লিপ সিংক করায় বিশ্বাসী নন। পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সুরে গান গাইতেও সিদ্ধহস্ত তারা।