ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে সার্ভিসিং সেন্টারে প্রাইভেটকারে আগুন, দগ্ধ ৮

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে সার্ভিসিং সেন্টারে গ্যাস লিকেজ থেকে একটি প্রাইভেটকারে আগুন লেগে আটজন দগ্ধ হয়েছেন।

সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন মো. তারেক (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।

উদ্ধারকারী প্রতিবেশী আরমান জানান, হুমায়ুন রোডে সার্ভিসিং সেন্টারে রাখা একটি প্রাইভেটকার থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। এতে সেখানের মালিকসহ কর্মরত শ্রমিকরা দগ্ধ হন। পরে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

জাতীয় ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মোহাম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। এই দুজনের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের ১ থেকে শূন্য ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তুরস্কে সিলিন্ডার লিকেজে অক্সিজেন স্বল্পতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাবা-ছেলের মৃত্যু

মোহাম্মদপুরে সার্ভিসিং সেন্টারে প্রাইভেটকারে আগুন, দগ্ধ ৮

আপডেট সময় ০৭:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোডে সার্ভিসিং সেন্টারে গ্যাস লিকেজ থেকে একটি প্রাইভেটকারে আগুন লেগে আটজন দগ্ধ হয়েছেন।

সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধরা হলেন মো. তারেক (২৩), মো. মনা (৪০), মিরাজ (৩৬), রেহান বাদল (২৩), মো. জনি (৩৫), মো. আকাশ (২৫), মো. আজাদ (৫৫) ও ইরফান (১১)।

উদ্ধারকারী প্রতিবেশী আরমান জানান, হুমায়ুন রোডে সার্ভিসিং সেন্টারে রাখা একটি প্রাইভেটকার থেকে আগুনের সৃষ্টি হয়। এতে সেখানের মালিকসহ কর্মরত শ্রমিকরা দগ্ধ হন। পরে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

জাতীয় ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মোহাম্মদপুর থেকে প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় আটজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। এই দুজনের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বাকিদের ১ থেকে শূন্য ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।