ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে চট্টগ্রামে ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার কে সাংবাদিক তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান জুবাইদা রহমানের থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় ৫ নিরাপত্তা সদস্যের প্রাণহানি কুমিল্লায় শিশু ঝুমুর ধর্ষণ ও হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ২২, তিনজনের অবস্থা গুরুতর

বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণ আর ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে বন্ধ আছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ। এই উত্তেজনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়েছে হাজারো ভ্রমণকারী। তাদের খাবার ও আবাসনের দায়িত্ব নিয়েছে দেশটির সরকার।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বন্ধ হয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বিমানবন্দরগুলো। ফলে বাতিল হয় অসংখ্য ফ্লাইট। এতে অন্তত ২০ হাজারের বেশি যাত্রী আটকে পড়েন দেশটিতে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে আমিরাত সরকার। যেসব যাত্রী ভ্রমণ করতে পারছেন না— যতক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত যাত্রীদের অবস্থান বাড়িয়ে দিতে স্থানীয় হোটেলগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ। অতিরিক্ত থাকার পুরো খরচ বহন করবে আবুধাবির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার জবাবে ইরান নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে আবুধাবি ও দুবাই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুবাই ও আবুধাবির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাতিল ফ্লাইটের কারণে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা। অনেকেই বিমানবন্দরে রাত কাটাতে বাধ্য হন।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিভন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। এর জবাবে ইরান তেল আবিব এবং অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন হামলা চালায়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রথম দিনেই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপাউন্ডে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দাবি করেন, খামেনির মৃত্যু ছিল ‘মাসের পর মাসের গোয়েন্দা পরিকল্পনার ফল’।

গত ৭২ ঘণ্টায় উভয় পক্ষের হামলার মাত্রা ও তীব্রতা বেড়েছে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী

বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত

আপডেট সময় ১২:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণ আর ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে বন্ধ আছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ। এই উত্তেজনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়েছে হাজারো ভ্রমণকারী। তাদের খাবার ও আবাসনের দায়িত্ব নিয়েছে দেশটির সরকার।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বন্ধ হয়ে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বিমানবন্দরগুলো। ফলে বাতিল হয় অসংখ্য ফ্লাইট। এতে অন্তত ২০ হাজারের বেশি যাত্রী আটকে পড়েন দেশটিতে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিচ্ছে আমিরাত সরকার। যেসব যাত্রী ভ্রমণ করতে পারছেন না— যতক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত যাত্রীদের অবস্থান বাড়িয়ে দিতে স্থানীয় হোটেলগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ। অতিরিক্ত থাকার পুরো খরচ বহন করবে আবুধাবির সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলার জবাবে ইরান নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে আবুধাবি ও দুবাই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুবাই ও আবুধাবির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাতিল ফ্লাইটের কারণে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা। অনেকেই বিমানবন্দরে রাত কাটাতে বাধ্য হন।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিভন্ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। এর জবাবে ইরান তেল আবিব এবং অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন হামলা চালায়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রথম দিনেই তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি কমপাউন্ডে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দাবি করেন, খামেনির মৃত্যু ছিল ‘মাসের পর মাসের গোয়েন্দা পরিকল্পনার ফল’।

গত ৭২ ঘণ্টায় উভয় পক্ষের হামলার মাত্রা ও তীব্রতা বেড়েছে, যার ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাধারণ মানুষের জীবনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।