ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘পরিবারের সুখ শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি’: মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপি নেত্রী যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগের কথা জানালেন হান্নান মাসুদ কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ ১৮টি দেশে কর্মী পাঠানোর চুক্তি হয়েছে: নুরুল হক পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দল হারলে গর্তে লুকিয়ে যায়’:ইরফান পাঠান

আপডেট সময় ০৫:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ক্রিকেট বিশ্বে যেকোনো মেজর টুর্নামন্টে ভারত ও পাকিস্তানের গণমাধ্যমে একে অন্যকে খোঁচা দেওয়ার প্রবণতা নতুন কিছু নয়। বরাবরের মতো দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি লড়াই হলে এই ঠাট্টা-বিদ্রূপ আরও তীব্র হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যঙ্গ করে একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হারের পর সেই বিজ্ঞাপন সরিয়ে নেওয়া হয়। এর জবাবে ভারতকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এক গণমাধ্যমও ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা চালায়।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে ধাক্কা খায় পাকিস্তান, সেমিফাইনালে খেলার আশাও ক্ষীণ হয়েছে তাদের। এ প্রেক্ষাপটে মিডিয়ার ট্রল সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

তার মতে, পাকিস্তানি মিডিয়া নিজেদের দলকেই অতিরিক্ত চাপে রাখে। পাশাপাশি ভারত হেরে গেলে তারা কটাক্ষে সরব হয়, কিন্তু পাকিস্তান হারলে চুপচাপ হয়ে যায়।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরফান লেখেন, ‘পাকিস্তান দল চাপ সামলাতে পারে না এবং তাদের ভোগান্তির পেছনে মিডিয়ার লাগাতার ট্রলের ভূমিকা আছে। সমর্থনের বদলে পাকিস্তানি মিডিয়া খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, যা মূলত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর কৌশল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারত হেরে গেলে (যেটা বিরল) তারা সোশ্যাল মিডিয়ার টাইমলাইন ভাসিয়ে ফেলে। কিন্তু তাদের নিজেদের দল হেরে গেলে তারা ইঁদুরের মতো গর্তে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে না খেললে আমরা এসব নিয়ে ভাবিই না। আমরা শুধু নির্দিষ্ট খেলা নিয়ে কাজ করি।’

সুপার এইট পর্বে বর্তমানে দুই দলই কঠিন সমীকরণের সম্মুখীন হয়ে আছে। পাকিস্তান তিন ম্যাচে মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে কার্যত বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে ভারতের সেমিফাইনালে খেলার আশাতেও বড় ধাক্কা লেগেছে, এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাবে তারা।