আকাশ জাতীয় ডেস্ক :
প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত বিএনপির সুপারিশের ভিত্তিতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, প্রশাসনিক রদবদল একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ও সবার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি দলকে একটু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী প্রস্তাব করলে সঙ্গে সঙ্গে ওইদিন বা পরের দিনের মধ্যেই অফিসার সেখান থেকে প্রত্যাহার হয়ে যাচ্ছেন।
আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘বৈঠকে প্রশাসনিক রদবদল ও ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসির দায়িত্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএনপির দাবির পর ইসির অবস্থানে ইনফ্লুয়েন্সের ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ইসি আজ বলেছে- তারা এটা পুনর্বিবেচনা করছে। যেহেতু এবারের নির্বাচনটা একটু ভিন্ন নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে এক্সট্রা ফোর্স থাকলে সেটা আমরা মনে করি যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কাজে দেবে।’
এনসিপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের আরেকটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। যখন আমাদের প্রার্থীরা বিভিন্ন অফিসারদের বিষয়ে লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছেন- সেটার আর কোনো রিপ্লাই আসলে পাওয়া যাচ্ছে না।’
প্রশাসন বিএনপির পক্ষে কাজ করছে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু জায়গায় দেখেছি কিছু কর্মকর্তা নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট- সেটা পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা আছেন- মাঠপর্যায়ে তারা কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। তারা অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্দিষ্ট কোনো দলে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করছেন। বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপকে তারা কল দিচ্ছেন, তারা কল দিয়ে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে ইতোমধ্যে কিছু স্পেসিফিক অফিসারদের অপসারণ এবং পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছি।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 


















