ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ ‘তদন্তকারী কর্মকর্তাকে টাকা দিতে পারিনি, তাই আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে’ যারা চাঁদাবাজি ধান্দাবাজি-মামলাবাজি করে তাদেরকে ভোট দেবেন না: মান্না এবার বাবরের গণসংযোগে নেমেছেন তৃতীয় লিঙ্গরা মানুষ অনেক কষ্টে রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে ভোটের অধিকার অর্জন করেছে : মির্জা আব্বাস বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকারের রেদওয়ান রাজাকারদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেওয়া যাবে না : আমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান বাংলাদেশসহ ১৯ দেশকে নিয়ে পাকিস্তানের সামরিক মহড়া শুরু অপরাধ আমার বাবা করলেও ছাড় পাবে না: হাসনাত আবদুল্লাহ

নির্বাচনে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে সেনাবাহিনী: সেনাসদর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম এলাকায় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অবস্থা বিবেচনায় যদি অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর রুলস অফ এনগেজমেন্টটা কী হবে? বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে না। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী কী করবে? জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এনগেজমেন্ট বলে দেওয়া আছে। আমরা আইনের আওতায় থেকে সে রুলস অফ এনগেজমেন্ট অনুসরণ করে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে থাকি। যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয়, তাহলে রুলস অফ এনগেজমেন্টে যে ক্রমান্বয়ে বল প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধির একটা প্রক্রিয়া আছে সেটা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোটের দিন, আগে কিংবা পরে মব হলে সেনাবাহিনীর কী ভূমিকা থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে দেখেছি যে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গিয়ে যা করণীয়, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১০ জানুয়ারি থেকে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৩৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ জানুয়ারি তা এক লাখে উন্নীত করা হয়। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২ জেলায়, ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোয় মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান ও চেকপোস্টের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের হারও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি থেকে গত ১৪ দিনে প্রায় দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি–বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া গোলাবারুদ, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ অভিযানে চারটি বিদেশি পিস্তল ও ১০টি গ্রেনেডসদৃশ হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোট ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র ও ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতিকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। প্রথমত, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বস্ত করা যে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে; দ্বিতীয়ত, সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থা তৈরি করা, যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সরঞ্জাম পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেই হেলিকপ্টার মোতায়েন থাকবে। সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকার, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে বড় হুমকি উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, এই অপতথ্যের মাধ্যমে প্রার্থী বা দলকে হেয় করা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করা কিংবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা অথবা যেকোনো একটি ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে আপনাদের নিজস্ব কোনো থ্রেট অ্যানালাইসিস রয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট অবশ্যই একটি সেনাবাহিনী তার কর্মপন্থায় প্রথম কাজ যেটা করে তা হচ্ছে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট। আমরা অবশ্যই এটা একটা থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করেছি এবং সে অনুযায়ী আমাদের এই মোতায়েন পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা নন-লিথাল ওয়েপন এবং রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট দিয়ে আমাদের বাহিনীকে ইকুইপ করেছি। নির্বাচনকেন্দ্রিক কথা যদি বলি আমরা; নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও বেশকিছু রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট আমাদের সেনা সদস্যদের জন্য নিয়ে এসেছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) হওয়ার কারণে বা কার্যক্রম না থাকার কারণে এই নির্বাচন থেকে বাইরে আছে এবং এই দলের অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপন করে আছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বা ভার্চুয়াল জগতে দেখা যাচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক থ্রেট বা হুমকি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে বা না যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো থ্রেট পেয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে আমি আলোচনায় যাবো না। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

ইলেকশনের আর মাত্র এক সপ্তাহের কম সময় আছে, সেখানে এখনো মানুষের মাঝে একটা সংশয় রয়ে গেছে যে আসলে ইলেকশনটা কীভাবে হবে, কতটুকু এনভায়রনমেন্ট আসলে হয়েছে বা ভোট হবে কি না। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যর্থতা দেখছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সংশয় দূর করার জন্যই সেনাবাহিনী প্রধান সব বিভাগে ব্যক্তিগতভাবে গিয়েছেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যারা এই নির্বাচনের সঙ্গে নিয়োজিত থাকবেন তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছেন। একটা হচ্ছে, তাদের আস্থা দেওয়া যে তাদের যেকোনো সহায়তা প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, জনগণকে আস্থা দেওয়া এবং ওই বার্তাটা সুস্পষ্টভাবে দেওয়া যে, সব বাহিনী সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবসময় একটি সেনসিটিভ জায়গা এবং এ ব্যাপারে আপনারা জানেন যে শুধুই বর্তমানে নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়, নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ও ওখানে আমাদের সেনা মোতায়েন সার্বক্ষণিক থাকে। যেই আশঙ্কার কথা আপনি বলেছেন এগুলো আমাদের অ্যাসেসমেন্টের মধ্যে নিয়েছি।

অপর আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন; সে ব্যাপারে আমাদের নিয়মিত টহল জারি থাকবে। এ কারণেই আমরা এবার উপজেলাভিত্তিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করেছি, যেন বিপুলসংখ্যক পেট্রোল একসঙ্গে বাইরে থাকতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মনে আস্থার জায়গাটা হয়। নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বন্ধে সর্বাত্মক আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকা অবস্থায় ভোটের আস্থা যদি ক্ষুণ্ন হয় এবং নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে তবে সেনাবাহিনী যে মাঠে গণতান্ত্রিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল, এটি কীভাবে প্রমাণ করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী এবং দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত একটি বাহিনী। সেনাপ্রধান পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলে দিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করবো। দেশের সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং তার ভোটটা সে দিতে পারে, এটা নিশ্চিত করা হবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। আর দায়িত্ব পালনকালে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনগণ আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ আলাদা করে পেয়ে যাবে।

একটি রাজনৈতিক দলের দু’জন শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট) হ্যাক হয়েছে, যা চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এই হ্যাকারদের চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনীর আইটি সেকশন বা সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা রাখছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে আমরা যেন এই আক্রমণের শিকার না হই; সে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আর এর বাইরে প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে এই প্রস্তুতি তাকে নিতে হবে। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি যে, সেনাবাহিনী তার যেসব আইটি সাইট আছে সেগুলো যেন হ্যাক না হয় সে ব্যাপারে যতটুকু প্রস্তুতি নেওয়ার সেই প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি এবং নিচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি ক্ষমতায় এলে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

নির্বাচনে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে সেনাবাহিনী: সেনাসদর

আপডেট সময় ০৭:৫০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম এলাকায় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অবস্থা বিবেচনায় যদি অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর রুলস অফ এনগেজমেন্টটা কী হবে? বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে না। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী কী করবে? জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এনগেজমেন্ট বলে দেওয়া আছে। আমরা আইনের আওতায় থেকে সে রুলস অফ এনগেজমেন্ট অনুসরণ করে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে থাকি। যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয়, তাহলে রুলস অফ এনগেজমেন্টে যে ক্রমান্বয়ে বল প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধির একটা প্রক্রিয়া আছে সেটা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোটের দিন, আগে কিংবা পরে মব হলে সেনাবাহিনীর কী ভূমিকা থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে দেখেছি যে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গিয়ে যা করণীয়, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১০ জানুয়ারি থেকে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৩৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ জানুয়ারি তা এক লাখে উন্নীত করা হয়। পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২ জেলায়, ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোয় মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান ও চেকপোস্টের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের হারও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি থেকে গত ১৪ দিনে প্রায় দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি–বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া গোলাবারুদ, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ৩১ জানুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ অভিযানে চারটি বিদেশি পিস্তল ও ১০টি গ্রেনেডসদৃশ হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোট ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র ও ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতিকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। প্রথমত, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বস্ত করা যে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে; দ্বিতীয়ত, সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থা তৈরি করা, যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সরঞ্জাম পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেই হেলিকপ্টার মোতায়েন থাকবে। সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকার, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে বড় হুমকি উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, এই অপতথ্যের মাধ্যমে প্রার্থী বা দলকে হেয় করা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করা কিংবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা অথবা যেকোনো একটি ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে আপনাদের নিজস্ব কোনো থ্রেট অ্যানালাইসিস রয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট অবশ্যই একটি সেনাবাহিনী তার কর্মপন্থায় প্রথম কাজ যেটা করে তা হচ্ছে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট। আমরা অবশ্যই এটা একটা থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করেছি এবং সে অনুযায়ী আমাদের এই মোতায়েন পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা নন-লিথাল ওয়েপন এবং রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট দিয়ে আমাদের বাহিনীকে ইকুইপ করেছি। নির্বাচনকেন্দ্রিক কথা যদি বলি আমরা; নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও বেশকিছু রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট আমাদের সেনা সদস্যদের জন্য নিয়ে এসেছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) হওয়ার কারণে বা কার্যক্রম না থাকার কারণে এই নির্বাচন থেকে বাইরে আছে এবং এই দলের অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপন করে আছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বা ভার্চুয়াল জগতে দেখা যাচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক থ্রেট বা হুমকি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে বা না যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো থ্রেট পেয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে আমি আলোচনায় যাবো না। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

ইলেকশনের আর মাত্র এক সপ্তাহের কম সময় আছে, সেখানে এখনো মানুষের মাঝে একটা সংশয় রয়ে গেছে যে আসলে ইলেকশনটা কীভাবে হবে, কতটুকু এনভায়রনমেন্ট আসলে হয়েছে বা ভোট হবে কি না। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যর্থতা দেখছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সংশয় দূর করার জন্যই সেনাবাহিনী প্রধান সব বিভাগে ব্যক্তিগতভাবে গিয়েছেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যারা এই নির্বাচনের সঙ্গে নিয়োজিত থাকবেন তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছেন। একটা হচ্ছে, তাদের আস্থা দেওয়া যে তাদের যেকোনো সহায়তা প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, জনগণকে আস্থা দেওয়া এবং ওই বার্তাটা সুস্পষ্টভাবে দেওয়া যে, সব বাহিনী সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবসময় একটি সেনসিটিভ জায়গা এবং এ ব্যাপারে আপনারা জানেন যে শুধুই বর্তমানে নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়, নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ও ওখানে আমাদের সেনা মোতায়েন সার্বক্ষণিক থাকে। যেই আশঙ্কার কথা আপনি বলেছেন এগুলো আমাদের অ্যাসেসমেন্টের মধ্যে নিয়েছি।

অপর আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন; সে ব্যাপারে আমাদের নিয়মিত টহল জারি থাকবে। এ কারণেই আমরা এবার উপজেলাভিত্তিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করেছি, যেন বিপুলসংখ্যক পেট্রোল একসঙ্গে বাইরে থাকতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মনে আস্থার জায়গাটা হয়। নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বন্ধে সর্বাত্মক আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকা অবস্থায় ভোটের আস্থা যদি ক্ষুণ্ন হয় এবং নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে তবে সেনাবাহিনী যে মাঠে গণতান্ত্রিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল, এটি কীভাবে প্রমাণ করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী এবং দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত একটি বাহিনী। সেনাপ্রধান পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলে দিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করবো। দেশের সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং তার ভোটটা সে দিতে পারে, এটা নিশ্চিত করা হবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। আর দায়িত্ব পালনকালে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনগণ আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ আলাদা করে পেয়ে যাবে।

একটি রাজনৈতিক দলের দু’জন শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট) হ্যাক হয়েছে, যা চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এই হ্যাকারদের চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনীর আইটি সেকশন বা সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা রাখছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে আমরা যেন এই আক্রমণের শিকার না হই; সে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আর এর বাইরে প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে এই প্রস্তুতি তাকে নিতে হবে। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি যে, সেনাবাহিনী তার যেসব আইটি সাইট আছে সেগুলো যেন হ্যাক না হয় সে ব্যাপারে যতটুকু প্রস্তুতি নেওয়ার সেই প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি এবং নিচ্ছি।