ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

৫৯ বছরে মা হলেন চীনা নারী

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

৫৯ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক চীনা নারী। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তার একটি মেয়ে রয়েছে। খবর সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের।

ঝোউ নামের ওই নারী জানান, তার প্রথম সন্তান মেয়ে। মেয়ে বড় হয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী খুব ‘একাকী’ অনুভব করছিলেন।

একাকিত্ব কাটাতে এ দম্পতি দুবছর আগে আরও একটি সন্তান নেওয়া পরিকল্পনা করেন।

গর্ভধারণের জন্য ঝোউ নিজের স্বাস্থ্য ঠিক করা এবং শরীরকে প্রস্তুত করা শুরু করেন। সুষম খাদ্যগ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তিনি ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।

এ দম্পতির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল, গর্ভধারণে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আশা ছাড়েননি।

আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের জন্য এ দম্পতি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন এবং কয়েক মাসের চিকিৎসায় সফলভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হন।

ঝোউ বলেন, গর্ভধারণের পর চিকিৎসকেরা তার বিশেষ যত্ন নিতেন। এই নারী বলেন, ‘চিকিৎসকেরা নিয়মিত আমাকে বার্তা পাঠাতেন, আমার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতেন। আমার নিজেকে পান্ডা মনে হতো, চিকিৎসকেরা যাকে যত্নসহকারে রক্ষা করছেন।’

ঝোউকে গর্ভকালীন নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার রক্তচাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, পা অনেক ফুলে যেত। তার আরও বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তাই গর্ভধারণের প্রায় ৩৩ সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ৯ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঝোউ ২ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন।

ঝোউয়ের চিকিৎসক গুও বলেন, তিনি একজন সাহসী মা, যিনি এই ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।

এই প্রতিবেদনে ঝোউয়ের স্বামী বা তার মেয়ে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

৫৯ বছরে মা হলেন চীনা নারী

আপডেট সময় ০২:২৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক : 

৫৯ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হইচই ফেলে দিয়েছেন এক চীনা নারী। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। এর আগে তার একটি মেয়ে রয়েছে। খবর সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের।

ঝোউ নামের ওই নারী জানান, তার প্রথম সন্তান মেয়ে। মেয়ে বড় হয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় তিনি ও তার স্বামী খুব ‘একাকী’ অনুভব করছিলেন।

একাকিত্ব কাটাতে এ দম্পতি দুবছর আগে আরও একটি সন্তান নেওয়া পরিকল্পনা করেন।

গর্ভধারণের জন্য ঝোউ নিজের স্বাস্থ্য ঠিক করা এবং শরীরকে প্রস্তুত করা শুরু করেন। সুষম খাদ্যগ্রহণ ও নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি তিনি ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন।

এ দম্পতির বয়স অনেক বেশি হওয়ায় তাদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য ছিল, গর্ভধারণে ঝুঁকিও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আশা ছাড়েননি।

আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণের জন্য এ দম্পতি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন এবং কয়েক মাসের চিকিৎসায় সফলভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হন।

ঝোউ বলেন, গর্ভধারণের পর চিকিৎসকেরা তার বিশেষ যত্ন নিতেন। এই নারী বলেন, ‘চিকিৎসকেরা নিয়মিত আমাকে বার্তা পাঠাতেন, আমার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখতেন। আমার নিজেকে পান্ডা মনে হতো, চিকিৎসকেরা যাকে যত্নসহকারে রক্ষা করছেন।’

ঝোউকে গর্ভকালীন নানা শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তার রক্তচাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, পা অনেক ফুলে যেত। তার আরও বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

তাই গর্ভধারণের প্রায় ৩৩ সপ্তাহ পর চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ৯ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঝোউ ২ দশমিক ২ কেজি ওজনের একটি ছেলেশিশুর জন্ম দেন।

ঝোউয়ের চিকিৎসক গুও বলেন, তিনি একজন সাহসী মা, যিনি এই ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন।

এই প্রতিবেদনে ঝোউয়ের স্বামী বা তার মেয়ে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।