ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, এত টাকা খরচ করে পদ্মা সেতু না বানিয়ে যদি ইরিগেশনে ব্যয় করা যেত চালের দাম ৫ টাকা কমে যেত। আজ চালের দাম ২০ টাকা বেড়ে গেছে পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ বশির উদ্দীন বলেন, যদি ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারি তাহলে এটি যে টিউমার তৈরি করবে এর সঙ্গে চলতে পারবেন না। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক আপনারা যখন কোনো দাবি করবেন, এটা মাথায় রাখতে হবে যে আমার ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে। না হলে নাগরিক হিসেবে আপনি ঠকে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধিকাংশ স্থল বন্দরের কোনো দরকার ছিল না। এসবের কোনো কার্যকারিতাও নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করে ফেলেছে। শেখ হাসিনা অসম্ভব রকম দুর্বৃত্তায়ন করেছেন। শেখ হাসিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানো। ব্যয় করে আয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানোর মতো চিন্তা তার মাথায় কখনোই ছিল না। তাই শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সমুন্নত রাখা।

তিনি বলেন, আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত তিনটি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল। আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কিনা তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন

আপডেট সময় ০১:৪০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেছেন, এত টাকা খরচ করে পদ্মা সেতু না বানিয়ে যদি ইরিগেশনে ব্যয় করা যেত চালের দাম ৫ টাকা কমে যেত। আজ চালের দাম ২০ টাকা বেড়ে গেছে পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভোট সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ বশির উদ্দীন বলেন, যদি ব্যয়ের উদ্বৃত্ত তৈরি করতে না পারি তাহলে এটি যে টিউমার তৈরি করবে এর সঙ্গে চলতে পারবেন না। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক আপনারা যখন কোনো দাবি করবেন, এটা মাথায় রাখতে হবে যে আমার ব্যয়ের উদ্বৃত্ত আছে। না হলে নাগরিক হিসেবে আপনি ঠকে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা অহেতুক বড় বড় প্রকল্প নিয়েছিলেন। অধিকাংশ স্থল বন্দরের কোনো দরকার ছিল না। এসবের কোনো কার্যকারিতাও নেই। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। ৯০ শতাংশ টাকাই খরচ করে ফেলেছে। শেখ হাসিনা অসম্ভব রকম দুর্বৃত্তায়ন করেছেন। শেখ হাসিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানো। ব্যয় করে আয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটানোর মতো চিন্তা তার মাথায় কখনোই ছিল না। তাই শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প নিয়ে ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য আয়ের প্রবৃদ্ধি সমুন্নত রাখা।

তিনি বলেন, আপনারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ফিরে আসবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। যে দলের বেশি সমর্থন সেই দল নির্বাচিত হবে। আপনারা যদি সেটা না করেন তাহলে বিগত তিনটি নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এমপিরা পদে রয়ে গেল। আবার ভোট হইল, ভোটে আপনি গেলেন কিনা তাতে কিছু আসে যায় না। তাতে নির্বাচিত নামধারী সরকার রয়ে গেল। আপনারা যদি এমন নির্বাচন ব্যবস্থা না চান তাহলে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।