ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

‘রাশিয়ানরা কখনোই ইউরোপীয়দের মতো পোকা খাবে না’

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পতঙ্গজাত খাদ্যপণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়লেও রাশিয়ানরা কখনোই তা গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের কৃষি কমিটির উপ-প্রধান ইউলিয়া ওগ্লোবলিনা।

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ায় পোকামাকড় বা পতঙ্গ কেবল মাছ ও পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, মানুষের খাবার হিসেবে নয়। রাশিয়ায় পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং এটি কখনোই সাধারণ মানুষের পাতে দেওয়া হবে না। এমনকি বিকল্প প্রোটিন নিয়ে ভবিষ্যতে যেকোনো গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সরকারের এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও তিনি নিশ্চয়তা দেন।

ইউরোপীয় কমিশন গত বছর শুকনো ও গুঁড়ো করা মিলওয়ার্ম লার্ভাকে মানুষের খাদ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি রুটি, চিজ বা পাস্তার মতো খাবারে নির্দিষ্ট পরিমাণে মেশানো যাবে।

ইউরোপের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রুশ এই আইনপ্রণেতা বলেন, পশ্চিম ইউরোপের কৃষিখাত বর্তমানে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে বলেই তারা আজ বিকল্প হিসেবে ক্রিকেট বা মাকড়সা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। ওগ্লোবলিনার মতে, রাশিয়ার হাতে প্রচুর উর্বর জমি রয়েছে এবং দেশের কৃষিখাত অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে আছে, তাই প্রথাগত রুশ খাবার ছেড়ে পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন তাদের নেই।

যদিও গত বছর রাশিয়ার একটি খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানিয়েছিলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশটিতে পতঙ্গজাত প্রোটিন বার বা দই পাওয়া যেতে পারে। তবে ওগ্লোবলিনার এই বক্তব্য সেই সম্ভাবনাকে সরাসরি নাকচ করে দিল।

বর্তমানে রাশিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই বা নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছি চাষের অনুমতি থাকলেও কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এগুলো কেবল পশুখাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হবে। এশিয়া, আফ্রিকা বা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে পতঙ্গ খাওয়ার চল থাকলেও রাশিয়ার সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসে এর কোনো জায়গা নেই বলে মনে করছেন দেশটির নীতি-নির্ধারকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

‘রাশিয়ানরা কখনোই ইউরোপীয়দের মতো পোকা খাবে না’

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পতঙ্গজাত খাদ্যপণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়লেও রাশিয়ানরা কখনোই তা গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের কৃষি কমিটির উপ-প্রধান ইউলিয়া ওগ্লোবলিনা।

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ায় পোকামাকড় বা পতঙ্গ কেবল মাছ ও পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, মানুষের খাবার হিসেবে নয়। রাশিয়ায় পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং এটি কখনোই সাধারণ মানুষের পাতে দেওয়া হবে না। এমনকি বিকল্প প্রোটিন নিয়ে ভবিষ্যতে যেকোনো গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সরকারের এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও তিনি নিশ্চয়তা দেন।

ইউরোপীয় কমিশন গত বছর শুকনো ও গুঁড়ো করা মিলওয়ার্ম লার্ভাকে মানুষের খাদ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি রুটি, চিজ বা পাস্তার মতো খাবারে নির্দিষ্ট পরিমাণে মেশানো যাবে।

ইউরোপের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রুশ এই আইনপ্রণেতা বলেন, পশ্চিম ইউরোপের কৃষিখাত বর্তমানে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে বলেই তারা আজ বিকল্প হিসেবে ক্রিকেট বা মাকড়সা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। ওগ্লোবলিনার মতে, রাশিয়ার হাতে প্রচুর উর্বর জমি রয়েছে এবং দেশের কৃষিখাত অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে আছে, তাই প্রথাগত রুশ খাবার ছেড়ে পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন তাদের নেই।

যদিও গত বছর রাশিয়ার একটি খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানিয়েছিলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশটিতে পতঙ্গজাত প্রোটিন বার বা দই পাওয়া যেতে পারে। তবে ওগ্লোবলিনার এই বক্তব্য সেই সম্ভাবনাকে সরাসরি নাকচ করে দিল।

বর্তমানে রাশিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই বা নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছি চাষের অনুমতি থাকলেও কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এগুলো কেবল পশুখাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হবে। এশিয়া, আফ্রিকা বা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে পতঙ্গ খাওয়ার চল থাকলেও রাশিয়ার সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসে এর কোনো জায়গা নেই বলে মনে করছেন দেশটির নীতি-নির্ধারকরা।