ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

‘রাশিয়ানরা কখনোই ইউরোপীয়দের মতো পোকা খাবে না’

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পতঙ্গজাত খাদ্যপণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়লেও রাশিয়ানরা কখনোই তা গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের কৃষি কমিটির উপ-প্রধান ইউলিয়া ওগ্লোবলিনা।

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ায় পোকামাকড় বা পতঙ্গ কেবল মাছ ও পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, মানুষের খাবার হিসেবে নয়। রাশিয়ায় পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং এটি কখনোই সাধারণ মানুষের পাতে দেওয়া হবে না। এমনকি বিকল্প প্রোটিন নিয়ে ভবিষ্যতে যেকোনো গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সরকারের এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও তিনি নিশ্চয়তা দেন।

ইউরোপীয় কমিশন গত বছর শুকনো ও গুঁড়ো করা মিলওয়ার্ম লার্ভাকে মানুষের খাদ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি রুটি, চিজ বা পাস্তার মতো খাবারে নির্দিষ্ট পরিমাণে মেশানো যাবে।

ইউরোপের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রুশ এই আইনপ্রণেতা বলেন, পশ্চিম ইউরোপের কৃষিখাত বর্তমানে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে বলেই তারা আজ বিকল্প হিসেবে ক্রিকেট বা মাকড়সা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। ওগ্লোবলিনার মতে, রাশিয়ার হাতে প্রচুর উর্বর জমি রয়েছে এবং দেশের কৃষিখাত অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে আছে, তাই প্রথাগত রুশ খাবার ছেড়ে পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন তাদের নেই।

যদিও গত বছর রাশিয়ার একটি খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানিয়েছিলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশটিতে পতঙ্গজাত প্রোটিন বার বা দই পাওয়া যেতে পারে। তবে ওগ্লোবলিনার এই বক্তব্য সেই সম্ভাবনাকে সরাসরি নাকচ করে দিল।

বর্তমানে রাশিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই বা নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছি চাষের অনুমতি থাকলেও কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এগুলো কেবল পশুখাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হবে। এশিয়া, আফ্রিকা বা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে পতঙ্গ খাওয়ার চল থাকলেও রাশিয়ার সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসে এর কোনো জায়গা নেই বলে মনে করছেন দেশটির নীতি-নির্ধারকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

‘রাশিয়ানরা কখনোই ইউরোপীয়দের মতো পোকা খাবে না’

আপডেট সময় ১০:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পতঙ্গজাত খাদ্যপণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়লেও রাশিয়ানরা কখনোই তা গ্রহণ করবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের কৃষি কমিটির উপ-প্রধান ইউলিয়া ওগ্লোবলিনা।

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ায় পোকামাকড় বা পতঙ্গ কেবল মাছ ও পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, মানুষের খাবার হিসেবে নয়। রাশিয়ায় পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং এটি কখনোই সাধারণ মানুষের পাতে দেওয়া হবে না। এমনকি বিকল্প প্রোটিন নিয়ে ভবিষ্যতে যেকোনো গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সরকারের এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলেও তিনি নিশ্চয়তা দেন।

ইউরোপীয় কমিশন গত বছর শুকনো ও গুঁড়ো করা মিলওয়ার্ম লার্ভাকে মানুষের খাদ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এটি রুটি, চিজ বা পাস্তার মতো খাবারে নির্দিষ্ট পরিমাণে মেশানো যাবে।

ইউরোপের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রুশ এই আইনপ্রণেতা বলেন, পশ্চিম ইউরোপের কৃষিখাত বর্তমানে বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে বলেই তারা আজ বিকল্প হিসেবে ক্রিকেট বা মাকড়সা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। ওগ্লোবলিনার মতে, রাশিয়ার হাতে প্রচুর উর্বর জমি রয়েছে এবং দেশের কৃষিখাত অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে আছে, তাই প্রথাগত রুশ খাবার ছেড়ে পতঙ্গ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন তাদের নেই।

যদিও গত বছর রাশিয়ার একটি খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানিয়েছিলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশটিতে পতঙ্গজাত প্রোটিন বার বা দই পাওয়া যেতে পারে। তবে ওগ্লোবলিনার এই বক্তব্য সেই সম্ভাবনাকে সরাসরি নাকচ করে দিল।

বর্তমানে রাশিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই বা নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছি চাষের অনুমতি থাকলেও কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এগুলো কেবল পশুখাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হবে। এশিয়া, আফ্রিকা বা ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে পতঙ্গ খাওয়ার চল থাকলেও রাশিয়ার সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসে এর কোনো জায়গা নেই বলে মনে করছেন দেশটির নীতি-নির্ধারকরা।