ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করবে ভারত

আপডেট সময় ১২:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ফেসবুকসহ সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮। ভারতে নতুন বছরে চালু হতে চলেছে এই নিয়ম। এরইমধ্যে খসড়াও প্রস্তুত করে ফেলেছে দেশটি।

কেন্দ্রীয় সরকারের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন কমিউনিকেশন মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি প্রকাশ করেছে, এতে নতুন এই নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছে।

খসড়া বিধিতে বলা হয়েছে, ভারত সরকার মনে করে ১৮ বছরের আগে ছেলেমেয়েদের সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

খসড়া প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও অভিভাবক তার সন্তানকে সামাজিকমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে চান তাহলে তাদের সরকারিভাবে অনুমতি দিতে হবে। বয়স যাচাই এবং অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে প্রতিটি সামাজিকমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে। ১৮ বছরের কম বয়সিদের ক্ষেত্রে অনুমতি সাপেক্ষেও তথ্য বিনিময় করা যাবে না।

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। এরমধ্যে কোনও পক্ষ আপত্তি না জানালে এই নিয়মই বহাল থাকবে।

তবে সরকারের প্রকাশিত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা হয়নি। সরকার এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চেয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারির পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। এই খসড়া আইনে বাস্তবায়ন হলে তাদের সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হবে। এতো বিপুল সংখ্যক ব্যবহারীকে সামাজিকমাধ্যমের বাইরে রাখলে টেক কোম্পানীগুলাে লোকসানের মুখে পড়বে।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার একটি বিল উত্থাপন করে অস্ট্রেলিয়া।

তবে বিষয়টির সমালোচনা করে এক্সের মালিক ইলন মাস্ক বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের ইন্টারনেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সরকারের একটি গোপন কৌশল বলে মনে হচ্ছে।