ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী

ইউক্রেন ইস্যুতে ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক : হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের সংঘাত দীর্ঘায়িত করার জন্য সম্প্রতি ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজার্তো। তিনি বলেন, এখন কিছু নেতা চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক।

সিজার্তো বুধবার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন কথা বলেন। এর আগে, মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।

সিজার্তো বলেন, গতকালের ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের বৈঠকে নৃশংস প্রস্তাব আনা হয়। মনে হচ্ছে, কিছু নেতা এখন চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক। ইউক্রেনে সৈনিক নিয়োগের বয়স কমানোর ওপর ন্যাটোর জোর দেওয়া বিভ্রান্তিকর এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মতে, ‘সেনা নিয়োগের বয়স কমানো, অস্ত্র পাঠানো বা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিবর্তে আমাদের উচিত শান্তি, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা বলা’।

এ সময়, ব্রাসেলসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক বুধবারও চলছে বলে জানান তিনি।

সংঘাত বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রয়োজনীয়তা –

সিজার্তো হাঙ্গেরি সরকারের পক্ষে বারবার শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলে আসছেন। তার ভাষ্য, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

ইউক্রেনের সংঘাতের বিষয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর এই নীতি নিয়ে সিজার্তোর মতো অনেকেই সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো তাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।

তা সত্ত্বেও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো এখনও ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে।

তবে সিজার্তোর মতে, এই সমর্থন শুধু সংঘাতকে দীর্ঘায়িতই করছে না, বরং শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ইউক্রেন ইস্যুতে ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক : হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ইউক্রেনের সংঘাত দীর্ঘায়িত করার জন্য সম্প্রতি ন্যাটোর উদ্যোগগুলো অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজার্তো। তিনি বলেন, এখন কিছু নেতা চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক।

সিজার্তো বুধবার তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন কথা বলেন। এর আগে, মঙ্গলবার ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকেও অংশ নেন তিনি।

সিজার্তো বলেন, গতকালের ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের বৈঠকে নৃশংস প্রস্তাব আনা হয়। মনে হচ্ছে, কিছু নেতা এখন চাচ্ছেন ইউক্রেনের তরুণ সৈনিকরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাক। ইউক্রেনে সৈনিক নিয়োগের বয়স কমানোর ওপর ন্যাটোর জোর দেওয়া বিভ্রান্তিকর এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মতে, ‘সেনা নিয়োগের বয়স কমানো, অস্ত্র পাঠানো বা ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিবর্তে আমাদের উচিত শান্তি, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনা নিয়ে কথা বলা’।

এ সময়, ব্রাসেলসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক বুধবারও চলছে বলে জানান তিনি।

সংঘাত বন্ধে শান্তি আলোচনার প্রয়োজনীয়তা –

সিজার্তো হাঙ্গেরি সরকারের পক্ষে বারবার শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতির পক্ষে কথা বলে আসছেন। তার ভাষ্য, এই সংঘাত দীর্ঘায়িত করার পরিবর্তে কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

ইউক্রেনের সংঘাতের বিষয়ে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর এই নীতি নিয়ে সিজার্তোর মতো অনেকেই সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো তাদের জীবনের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক।

তা সত্ত্বেও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো এখনও ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে।

তবে সিজার্তোর মতে, এই সমর্থন শুধু সংঘাতকে দীর্ঘায়িতই করছে না, বরং শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে।