ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’সহ একাধিক বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কানাডা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসভাবে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাওয়ায় দেশটির নৈতিকতা পুলিশসহ ‘ডজন ডজন’ ইরানী ব্যক্তি এবং সত্তাকে নিষেধাজ্ঞা দেবে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবার এমনটি ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকা।

ইরানে বিক্ষোভকারী এবং তাদের সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রুডো বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে কানাডিয়ানরাও চায়, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকার ‘তার জনগণের কথা শুনবে, তাদের স্বাধীনতা ও অধিকারের দমনের অবসান ঘটাবে এবং ইরানের নারী ও সমস্ত জনগণকে স্বাধীনভাবে তাদের জীবন চালিয়ে যেতে দেবে।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রুডো বলেছিলেন, কানাডার হাতে ইতিমধ্যেই ‘বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা’ রয়েছে এবং এই বিষয়ে আরও কিছু করবে। আমরা কিছু আইআরজিসি সদস্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি এবং নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য যে কোনো পদক্ষেপ আমরা বিবেচনা করব।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পিএস৭৫২, তেহরান বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এত কয়েক ডজন কানাডিয়ানসহ ১৭৬ জন নিহত হয়। তারপর থেকে কানাডিয়ান সরকার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য বিরোধী রক্ষণশীলসহ বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর দ্বারা চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইরানের সমস্ত প্রদেশে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাহসা আমিনি মারা যাওয়ার পর সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে।

আমিনি (২২) তার পরিবারের সঙ্গে কুর্দিস্থান থেকে তেহরানে ভ্রমণ করছিলেন। তার হিজাব খুব ঢিলেঢালাভাবে পরার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর ইরশাদ টহলদল তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে নৈতিক নিরাপত্তা পুলিশ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। কয়েক ঘন্টা পরে, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাসারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান।

আমিনীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে পুলিশ ভ্যানে মারধর করা হয়, মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করা হয়। পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, আমিনী হৃদরোগে মারা গেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’সহ একাধিক বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কানাডা

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসভাবে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাওয়ায় দেশটির নৈতিকতা পুলিশসহ ‘ডজন ডজন’ ইরানী ব্যক্তি এবং সত্তাকে নিষেধাজ্ঞা দেবে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবার এমনটি ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকা।

ইরানে বিক্ষোভকারী এবং তাদের সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রুডো বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে কানাডিয়ানরাও চায়, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকার ‘তার জনগণের কথা শুনবে, তাদের স্বাধীনতা ও অধিকারের দমনের অবসান ঘটাবে এবং ইরানের নারী ও সমস্ত জনগণকে স্বাধীনভাবে তাদের জীবন চালিয়ে যেতে দেবে।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রুডো বলেছিলেন, কানাডার হাতে ইতিমধ্যেই ‘বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা’ রয়েছে এবং এই বিষয়ে আরও কিছু করবে। আমরা কিছু আইআরজিসি সদস্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি এবং নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য যে কোনো পদক্ষেপ আমরা বিবেচনা করব।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পিএস৭৫২, তেহরান বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এত কয়েক ডজন কানাডিয়ানসহ ১৭৬ জন নিহত হয়। তারপর থেকে কানাডিয়ান সরকার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য বিরোধী রক্ষণশীলসহ বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর দ্বারা চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইরানের সমস্ত প্রদেশে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাহসা আমিনি মারা যাওয়ার পর সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে।

আমিনি (২২) তার পরিবারের সঙ্গে কুর্দিস্থান থেকে তেহরানে ভ্রমণ করছিলেন। তার হিজাব খুব ঢিলেঢালাভাবে পরার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর ইরশাদ টহলদল তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে নৈতিক নিরাপত্তা পুলিশ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। কয়েক ঘন্টা পরে, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাসারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান।

আমিনীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে পুলিশ ভ্যানে মারধর করা হয়, মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করা হয়। পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, আমিনী হৃদরোগে মারা গেছেন।