ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ইরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’সহ একাধিক বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কানাডা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসভাবে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাওয়ায় দেশটির নৈতিকতা পুলিশসহ ‘ডজন ডজন’ ইরানী ব্যক্তি এবং সত্তাকে নিষেধাজ্ঞা দেবে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবার এমনটি ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকা।

ইরানে বিক্ষোভকারী এবং তাদের সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রুডো বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে কানাডিয়ানরাও চায়, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকার ‘তার জনগণের কথা শুনবে, তাদের স্বাধীনতা ও অধিকারের দমনের অবসান ঘটাবে এবং ইরানের নারী ও সমস্ত জনগণকে স্বাধীনভাবে তাদের জীবন চালিয়ে যেতে দেবে।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রুডো বলেছিলেন, কানাডার হাতে ইতিমধ্যেই ‘বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা’ রয়েছে এবং এই বিষয়ে আরও কিছু করবে। আমরা কিছু আইআরজিসি সদস্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি এবং নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য যে কোনো পদক্ষেপ আমরা বিবেচনা করব।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পিএস৭৫২, তেহরান বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এত কয়েক ডজন কানাডিয়ানসহ ১৭৬ জন নিহত হয়। তারপর থেকে কানাডিয়ান সরকার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য বিরোধী রক্ষণশীলসহ বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর দ্বারা চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইরানের সমস্ত প্রদেশে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাহসা আমিনি মারা যাওয়ার পর সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে।

আমিনি (২২) তার পরিবারের সঙ্গে কুর্দিস্থান থেকে তেহরানে ভ্রমণ করছিলেন। তার হিজাব খুব ঢিলেঢালাভাবে পরার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর ইরশাদ টহলদল তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে নৈতিক নিরাপত্তা পুলিশ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। কয়েক ঘন্টা পরে, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাসারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান।

আমিনীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে পুলিশ ভ্যানে মারধর করা হয়, মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করা হয়। পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, আমিনী হৃদরোগে মারা গেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের ‘নৈতিকতা পুলিশ’সহ একাধিক বিষয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে কানাডা

আপডেট সময় ০৯:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী হিজাববিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসভাবে দমন-পীড়ন চালিয়ে যাওয়ায় দেশটির নৈতিকতা পুলিশসহ ‘ডজন ডজন’ ইরানী ব্যক্তি এবং সত্তাকে নিষেধাজ্ঞা দেবে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সোমবার এমনটি ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকা।

ইরানে বিক্ষোভকারী এবং তাদের সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রুডো বলেন, ‘আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষের সঙ্গে কানাডিয়ানরাও চায়, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সরকার ‘তার জনগণের কথা শুনবে, তাদের স্বাধীনতা ও অধিকারের দমনের অবসান ঘটাবে এবং ইরানের নারী ও সমস্ত জনগণকে স্বাধীনভাবে তাদের জীবন চালিয়ে যেতে দেবে।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রুডো বলেছিলেন, কানাডার হাতে ইতিমধ্যেই ‘বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা’ রয়েছে এবং এই বিষয়ে আরও কিছু করবে। আমরা কিছু আইআরজিসি সদস্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি এবং নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য যে কোনো পদক্ষেপ আমরা বিবেচনা করব।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পিএস৭৫২, তেহরান বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরে আইআরজিসি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এত কয়েক ডজন কানাডিয়ানসহ ১৭৬ জন নিহত হয়। তারপর থেকে কানাডিয়ান সরকার ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য বিরোধী রক্ষণশীলসহ বেশ কয়েকটি গোষ্ঠীর দ্বারা চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইরানের সমস্ত প্রদেশে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় মাহসা আমিনি মারা যাওয়ার পর সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূচনা হয়েছে।

আমিনি (২২) তার পরিবারের সঙ্গে কুর্দিস্থান থেকে তেহরানে ভ্রমণ করছিলেন। তার হিজাব খুব ঢিলেঢালাভাবে পরার জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর ইরশাদ টহলদল তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে নৈতিক নিরাপত্তা পুলিশ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। কয়েক ঘন্টা পরে, তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কাসারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর মারা যান।

আমিনীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে পুলিশ ভ্যানে মারধর করা হয়, মাথায় বেশ কয়েকটি আঘাত করা হয়। পুলিশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, আমিনী হৃদরোগে মারা গেছেন।