ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আপডেট সময় ০৫:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।