ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আপডেট সময় ০৫:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।