ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

বৃদ্ধা মাকে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়েছে ছেলে

আপডেট সময় ০৫:০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আশি বছর বয়সী মা টুনি বেওয়াকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে সন্তান। বর্তমানে তিনি তার ছোট মেয়ের কাছে আশ্রয় পেয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায়।

জানা গেছে, বৃদ্ধার নাম টুনি বেওয়ার বাড়ি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে তার মেয়ে নাজমার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালিগ্রামের ভাড়া বাড়িতে থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। এদিকে ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মানিরুল তার মাকে তার মেয়ে নাজমার বাড়ির কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম জানতে পেরে বৃদ্ধা টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই রয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল সংলগ্ন বালিগ্রাম এলাকায় রাস্তার পাশে দড়ির খাটে বৃদ্ধা মহিলা টুনি বেওয়াকে শুইয়ে রেখে পালিয়ে যায় তার ছেলে। যেখানে রেখে যায় তার পাশেই টুনি বেওয়ার স্বামী পরিত্যক্তা মেজো মেয়ে নাজমা ভাড়া বাসায় থাকে। সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবনযাপন করে।

তিনি আরও জানান, টুনি বেওয়া কিছুদিন আগে মেয়ে নাজমার বাড়িতেই থাকত। কিন্তু দুই মাস আগে নাজমার হাত-পা ভেঙে গেলে সে তার মাকে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ভাই মানিরুলের কাছে রেখে আসেন। কিন্তু ভরণপোষণ চালাতে না পারার অজুহাতে শুক্রবার সকালে ছেলে মানিরুল তার মাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তার মেয়ে নাজমাকে জানালে সেও তার মায়ের দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানায়। পরে তিনি বৃদ্ধ টুনি বেওয়ার ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে চক্ষু হাসপাতালের পাশেই থাকা টুনি বেওয়ার ছোট মেয়ে নাসিমার কাছে রেখে আসেন।