ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ ঢাকা পরিচ্ছন্ন করতে দল-মতহীন ঐক্য চান মির্জা ফখরুল ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা মার্কিন হামলায় ইরানের ৭ সেনা নিহত তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২ পাচার ও চোরাচালান রুখতে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত এসডিজি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের জোরালো সহযোগিতা চাইলেন উপদেষ্টা ড. তিতুমীর পরীক্ষা শেষে সচিবালয় অভিমুখে ‘লংমার্চ’ শিক্ষার্থীদের

২০০৫ সালে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল: আপিল বিভাগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০০৫ সালে চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চাকরি পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ।

২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চারদলীয় জোট সরকারের সময় সরকারি কর্ম কমিশন—পিএসসির মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নির্বাচিত করা হয়।

তাদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয় এই কর্মকর্তাদের। মূল্যায়ন পরীক্ষার পর তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহস্পতিবার ফটিকছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা

২০০৫ সালে নিয়োগ পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি বাতিল: আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ১২:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০০৫ সালে চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চাকরি পাওয়া ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সর্বোচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করে রায় দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ।

২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চারদলীয় জোট সরকারের সময় সরকারি কর্ম কমিশন—পিএসসির মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নির্বাচিত করা হয়।

তাদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয় এই কর্মকর্তাদের। মূল্যায়ন পরীক্ষার পর তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে একই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়।