ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়: জাহিদ মালেক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার মানুষ যক্ষ্মায় মারা যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘লাউনচিং ওয়ার্কশপ অন দা কমিউনিটি রাইট অ্যান্ড জেন্ডার একশান প্লান ২০২১-২৩ ফর টিবি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। পৃথিবীতে যক্ষ্মা ১৩তম মৃত্যুর কারণ। সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা। বিশ্বে এক কোটি মানুষ যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মায় বছরে ১৫ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করছেন। বাংলাদেশেও যক্ষ্মায় প্রতি বছর ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতিবছর নতুন করে তিন লাখ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যক্ষ্মা বিষয়ে ভালো দিক হচ্ছে, আমরা এখন জানি বছরে কত লোক আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে খুঁজে বের করতে পারছি। কারণ আমরা যদি যক্ষা রোগী শনাক্ত করতে পারি তাহলে চিকিৎসা দিতে পারব। চিকিৎসার কারণে প্রায় ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

যক্ষ্মায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ কর তিনি বলেন, যক্ষায় দেশে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ এর বেশি লোক মারা যায় অথচ আমরা এ বিষয়ে খোঁজও রাখিনা। যক্ষ্মার ভালো বিষয় হচ্ছে দিনে দিনে রোগী কমে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে দুই শতাংশ করে রোগী কমছে। যদিও আমাদের লক্ষ চার থেকে পাচ শতাংশ রোগী কমানো।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যতগুলো দেশ আছে, সেগুলোতে সারাবিশ্বের ৮৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সুতরাং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আমদের অনেক কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ডা. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা ইকবাল আর্সেনাল। অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন- স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক লুসিকা ডিটিউ, দা গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফলিও ম্যানেজার জিওনজিওভার জাকাব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

যক্ষ্মায় বছরে ৪০ হাজার মানুষ মারা যায়: জাহিদ মালেক

আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার মানুষ যক্ষ্মায় মারা যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ‘লাউনচিং ওয়ার্কশপ অন দা কমিউনিটি রাইট অ্যান্ড জেন্ডার একশান প্লান ২০২১-২৩ ফর টিবি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বে যক্ষ্মা আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। পৃথিবীতে যক্ষ্মা ১৩তম মৃত্যুর কারণ। সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দ্বিতীয় মৃত্যুর কারণ যক্ষ্মা। বিশ্বে এক কোটি মানুষ যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মায় বছরে ১৫ লাখ লোক মৃত্যুবরণ করছেন। বাংলাদেশেও যক্ষ্মায় প্রতি বছর ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতিবছর নতুন করে তিন লাখ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যক্ষ্মা বিষয়ে ভালো দিক হচ্ছে, আমরা এখন জানি বছরে কত লোক আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের শনাক্ত করে খুঁজে বের করতে পারছি। কারণ আমরা যদি যক্ষা রোগী শনাক্ত করতে পারি তাহলে চিকিৎসা দিতে পারব। চিকিৎসার কারণে প্রায় ৯৫ থেকে ৯৭ শতাংশ লোক সুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

যক্ষ্মায় মৃত্যুর প্রসঙ্গ উল্লেখ কর তিনি বলেন, যক্ষায় দেশে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১০০ এর বেশি লোক মারা যায় অথচ আমরা এ বিষয়ে খোঁজও রাখিনা। যক্ষ্মার ভালো বিষয় হচ্ছে দিনে দিনে রোগী কমে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবে দুই শতাংশ করে রোগী কমছে। যদিও আমাদের লক্ষ চার থেকে পাচ শতাংশ রোগী কমানো।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় যতগুলো দেশ আছে, সেগুলোতে সারাবিশ্বের ৮৬ শতাংশ যক্ষ্মা রোগী রয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ ৭ নম্বরে আছে। সুতরাং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আমদের অনেক কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ডা. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা ইকবাল আর্সেনাল। অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন- স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক লুসিকা ডিটিউ, দা গ্লোবাল ফান্ডের সিনিয়র ফান্ড পোর্টফলিও ম্যানেজার জিওনজিওভার জাকাব।

সভায় সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার খুরশিদ আলম।