ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

বিক্রি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে নির্জনতম বাড়ি

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

আমরা অনেকেই আছি যাদের অনেক মানুষের ভেতর থাকতে ভালো লাগে না। সব সময় একা, নিরিবিলি থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এমন মানুষের জন্য বাড়িটি স্বপ্নের মতো। ওই বাড়িকে বলা হচ্ছে পৃথিবরি সবচেয়ে নির্জনতম বাড়ি।

বাড়িটির বর্তমান মালিক সেটি বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাড়ির জন্য তিনি দাম হাঁকিয়েছেন ৩ লাখ ৩৯ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় তিন কোটি টাকা।

বাড়িটি তেমন বড় নয়। ছোট্ট ওই বাড়ির অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যের একটি দ্বীপে। কানাডা সীমান্ত ও অ্যাকাডিয়া ন্যাশনাল পার্কের মাঝামাঝি বাড়িটির অবস্থান। মেইনের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বাড়িটি জনমানবহীন ও সবকিছু থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন।

সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে- বাড়িটিতে বসেই উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরপাড়ের অসাধারণ সব দৃশ্য চোখে পড়ে। বাড়ি থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে সৈকত। আশপাশে জনমানবহীন বাড়িটির চারপাশে শুধু মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য। প্রকৃতির এমন রূপের দেখা কোথাও মিলবে না। দ্বীপটির মূল ভূখণ্ড থেকে বাড়ির দূরত্ব মাত্র এক মাইলের। জোনসপোর্ট শহর থেকে ছোট নৌকায় কম সময়ে সেখানে যাওয়া যায়।

দেড় একর জায়গা নিয়ে ৫৪০ বর্গফুটের বাড়িটি নির্মাণ করা হয় ২০০৯ সালে। বাড়িতে আছে একটি শোবার ঘর ও ছোট্ট একটি রান্নাঘর। ঘরে যেন জায়গার কমতি না হয়, তাই রান্না ও শোবার ঘর ছাড়া আর কিছুই রাখা হয়নি ভেতরে। একটি বাথরুম আছে ঘরের বাইরে। বাড়িটির অবকাঠামোও বেশ ভালো।

বাড়িটি যিনি কিনবেন, তাকে কোনোদিন যানবাহনের শব্দ শুনতে হবে না। অতিরিক্ত বন্ধুসুলভ প্রতিবেশীরাও কখনোই বিরক্ত করতে আসবেন না।

বাড়িটির বিক্রির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠানটি বাড়িটি বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করে সেখানে লিখেছে, বাড়ির আশপাশে এমন সব দৃশ্য আছে, যা সারাক্ষণ আপনাকে বিনোদিত করবে। এখানে কোনো গাছ নেই, কিন্তু প্রকৃতির এমন সব দৃশ্য দেখা যায়, যা আর কোথাও দেখা যাবে না। দ্বীপ ও নির্জন সময় কাটানো একসঙ্গে দুটোই মিলবে এখানে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

বিক্রি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে নির্জনতম বাড়ি

আপডেট সময় ১০:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক:  

আমরা অনেকেই আছি যাদের অনেক মানুষের ভেতর থাকতে ভালো লাগে না। সব সময় একা, নিরিবিলি থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এমন মানুষের জন্য বাড়িটি স্বপ্নের মতো। ওই বাড়িকে বলা হচ্ছে পৃথিবরি সবচেয়ে নির্জনতম বাড়ি।

বাড়িটির বর্তমান মালিক সেটি বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাড়ির জন্য তিনি দাম হাঁকিয়েছেন ৩ লাখ ৩৯ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় তিন কোটি টাকা।

বাড়িটি তেমন বড় নয়। ছোট্ট ওই বাড়ির অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যের একটি দ্বীপে। কানাডা সীমান্ত ও অ্যাকাডিয়া ন্যাশনাল পার্কের মাঝামাঝি বাড়িটির অবস্থান। মেইনের সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার বাড়িটি জনমানবহীন ও সবকিছু থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন।

সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে- বাড়িটিতে বসেই উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরপাড়ের অসাধারণ সব দৃশ্য চোখে পড়ে। বাড়ি থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে সৈকত। আশপাশে জনমানবহীন বাড়িটির চারপাশে শুধু মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য। প্রকৃতির এমন রূপের দেখা কোথাও মিলবে না। দ্বীপটির মূল ভূখণ্ড থেকে বাড়ির দূরত্ব মাত্র এক মাইলের। জোনসপোর্ট শহর থেকে ছোট নৌকায় কম সময়ে সেখানে যাওয়া যায়।

দেড় একর জায়গা নিয়ে ৫৪০ বর্গফুটের বাড়িটি নির্মাণ করা হয় ২০০৯ সালে। বাড়িতে আছে একটি শোবার ঘর ও ছোট্ট একটি রান্নাঘর। ঘরে যেন জায়গার কমতি না হয়, তাই রান্না ও শোবার ঘর ছাড়া আর কিছুই রাখা হয়নি ভেতরে। একটি বাথরুম আছে ঘরের বাইরে। বাড়িটির অবকাঠামোও বেশ ভালো।

বাড়িটি যিনি কিনবেন, তাকে কোনোদিন যানবাহনের শব্দ শুনতে হবে না। অতিরিক্ত বন্ধুসুলভ প্রতিবেশীরাও কখনোই বিরক্ত করতে আসবেন না।

বাড়িটির বিক্রির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠানটি বাড়িটি বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত করে সেখানে লিখেছে, বাড়ির আশপাশে এমন সব দৃশ্য আছে, যা সারাক্ষণ আপনাকে বিনোদিত করবে। এখানে কোনো গাছ নেই, কিন্তু প্রকৃতির এমন সব দৃশ্য দেখা যায়, যা আর কোথাও দেখা যাবে না। দ্বীপ ও নির্জন সময় কাটানো একসঙ্গে দুটোই মিলবে এখানে।