ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

‘খালেদার আমলে বিকৃত ইতিহাস রেডিও টেলিভিশনে প্রচার করা হয়েছে’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু বলেছেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১০ বছর নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেওয়া হয়নি। বিকৃত ইতিহাস রেডিও টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এদেশের যা কিছু অর্জন তা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৪ আগস্ট) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিএনপি পাকিস্তানের সঙ্গে একটা কনফেডারেশন করার চেষ্টা করেছে। তারা জাতীয় চার মূলনীতি বনবাসে পাঠিয়েছিল, তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দুই একটি জায়গায় কিছুটা অসংগতি, অসম্পূর্ণতা রয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। এই অসম্পূর্ণতার কারণটা আমাদের বুঝতে হবে।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি, বিয়োগান্তক ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। খুনিরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে শারীরিকভাবেই হত্যা করেনি, খুনিরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আত্মাকেই হত্যা করে পাকিস্তানি আত্মাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দেহে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল। তাই খুনিরা সংবিধান থেকে চার নীতি মুছে ফেলে। ইতিহাসের ভাগাড় থেকে কুখ্যাত দ্বি-জাতিতত্ত্ব, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা তুলে এনে রাষ্ট্র ও সমাজে সাম্প্রদায়িকতার বিষ-বাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছিল।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, বাসদের (খাজা) আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খাজা, জাসদের সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, সহ-সভাপতি বীর-মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

‘খালেদার আমলে বিকৃত ইতিহাস রেডিও টেলিভিশনে প্রচার করা হয়েছে’

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু বলেছেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১০ বছর নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে দেওয়া হয়নি। বিকৃত ইতিহাস রেডিও টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এদেশের যা কিছু অর্জন তা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৪ আগস্ট) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিএনপি পাকিস্তানের সঙ্গে একটা কনফেডারেশন করার চেষ্টা করেছে। তারা জাতীয় চার মূলনীতি বনবাসে পাঠিয়েছিল, তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। দুই একটি জায়গায় কিছুটা অসংগতি, অসম্পূর্ণতা রয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। এই অসম্পূর্ণতার কারণটা আমাদের বুঝতে হবে।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি, বিয়োগান্তক ঘটনা। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। খুনিরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে শারীরিকভাবেই হত্যা করেনি, খুনিরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের আত্মাকেই হত্যা করে পাকিস্তানি আত্মাকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দেহে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল। তাই খুনিরা সংবিধান থেকে চার নীতি মুছে ফেলে। ইতিহাসের ভাগাড় থেকে কুখ্যাত দ্বি-জাতিতত্ত্ব, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা তুলে এনে রাষ্ট্র ও সমাজে সাম্প্রদায়িকতার বিষ-বাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছিল।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, বাসদের (খাজা) আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খাজা, জাসদের সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, সহ-সভাপতি বীর-মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা প্রমুখ।