ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করলেন ইসরাইলি বিজ্ঞনীরা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করেছেন ইসরাইলের একদল বিজ্ঞানী। কৃত্রিম এই ভ্রূণের জন্য শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণের প্রয়োজন হবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরাইলের ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, ইঁদুরের স্টেম সেল একত্রিত করে ভ্রণের প্রাথমিক আকৃতির মতো কাঠামো দেওয়া যেতে পারে। ওই ভ্রুণে অন্ত্রের নালী থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের প্রাথমিক গঠন ও হৃদস্পন্দনও থাকবে।

গবেষণায় কিছু কোষকে রাসায়নিক দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, যা জেনেটিক প্রোগ্রাম চালু করে প্লাসেন্টা বা কুসুমের থলিতে পরিণত হয়, অন্য অঙ্গ ও টিস্যু ছাড়াইিএই ভ্রুণ বিকাশ লাভ করে।

যদিও বেশিরভাগ স্টেম সেল ভ্রূণের মতো গঠন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রায় শূণ্য দশমিক পাঁচ শতাংশ স্টেম সেল মিলিত হয়ে ছোট বলের কারণ ধারণ করে। ওই বল থেকেই স্বতন্ত্র টিস্যু এবং অঙ্গের বিকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ গঠন এবং কোষের জেনেটিক প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক ইঁদুরের ভ্রুণের সঙ্গে তুলনা করলে কৃত্রিম ভ্রূণের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে।

একে কৃত্রিম ভ্রূণ বলা হচ্ছে কারণ নিষিক্ত ডিম্বাণু ছাড়াই এই ভ্রুণ তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিক ভ্রূণের বিকাশের সময় অঙ্গ এবং টিস্যু কীভাবে গঠন করে সে সম্পর্কে গভীরভাবে বোঝার জন্য পরবর্তীতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

গবেষকদের ধারণা এর ফলে প্রাণীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার হার কমানো সম্ভব। এই গবেষণা মানুষের কোষ এবং টিস্যু প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন পথ উন্মোচন করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর মাধ্যমে লিউকেমিয়া রোগীর ত্বকের কোষ বোন ম্যারো স্টেম সেলে রূপান্তর করে তাদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর আগে গত বছর ওই একই গবেষক দল একটি যান্ত্রিক গর্ভ তৈরি করেছিল। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে নিষিক্ত ইঁদুরের ভ্রুণ কয়েকদিন জরায়ুর বাইরেই বেড়ে উঠছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করলেন ইসরাইলি বিজ্ঞনীরা

আপডেট সময় ১১:২০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ভ্রূণ’ তৈরি করেছেন ইসরাইলের একদল বিজ্ঞানী। কৃত্রিম এই ভ্রূণের জন্য শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষিক্তকরণের প্রয়োজন হবে না। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইসরাইলের ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখেছেন, ইঁদুরের স্টেম সেল একত্রিত করে ভ্রণের প্রাথমিক আকৃতির মতো কাঠামো দেওয়া যেতে পারে। ওই ভ্রুণে অন্ত্রের নালী থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের প্রাথমিক গঠন ও হৃদস্পন্দনও থাকবে।

গবেষণায় কিছু কোষকে রাসায়নিক দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, যা জেনেটিক প্রোগ্রাম চালু করে প্লাসেন্টা বা কুসুমের থলিতে পরিণত হয়, অন্য অঙ্গ ও টিস্যু ছাড়াইিএই ভ্রুণ বিকাশ লাভ করে।

যদিও বেশিরভাগ স্টেম সেল ভ্রূণের মতো গঠন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রায় শূণ্য দশমিক পাঁচ শতাংশ স্টেম সেল মিলিত হয়ে ছোট বলের কারণ ধারণ করে। ওই বল থেকেই স্বতন্ত্র টিস্যু এবং অঙ্গের বিকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ গঠন এবং কোষের জেনেটিক প্রোফাইলের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাকৃতিক ইঁদুরের ভ্রুণের সঙ্গে তুলনা করলে কৃত্রিম ভ্রূণের ৯৫ শতাংশ মিল রয়েছে।

একে কৃত্রিম ভ্রূণ বলা হচ্ছে কারণ নিষিক্ত ডিম্বাণু ছাড়াই এই ভ্রুণ তৈরি করা হয়। প্রাকৃতিক ভ্রূণের বিকাশের সময় অঙ্গ এবং টিস্যু কীভাবে গঠন করে সে সম্পর্কে গভীরভাবে বোঝার জন্য পরবর্তীতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

গবেষকদের ধারণা এর ফলে প্রাণীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার হার কমানো সম্ভব। এই গবেষণা মানুষের কোষ এবং টিস্যু প্রতিস্থাপনের জন্য নতুন পথ উন্মোচন করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এর মাধ্যমে লিউকেমিয়া রোগীর ত্বকের কোষ বোন ম্যারো স্টেম সেলে রূপান্তর করে তাদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর আগে গত বছর ওই একই গবেষক দল একটি যান্ত্রিক গর্ভ তৈরি করেছিল। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে নিষিক্ত ইঁদুরের ভ্রুণ কয়েকদিন জরায়ুর বাইরেই বেড়ে উঠছিল।