ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

দুই বছর পর সরে গেল কাবাঘরের চারপাশের বেষ্টনী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের কারণে দেওয়া কাবাঘরের চারপাশের বেষ্টনী তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন পবিত্র কাবাঘরের কাছে গিয়ে সরাসারি তা স্পর্শ করতে পারছেন মুসল্লিরা।

মঙ্গলবার সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশক্রমে সুরক্ষা বেষ্টনী তুলে নেওয়ার কথা জানান পবিত্র দুই মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস। করোনার প্রকোপ শুরু হলে ২০২০ সালের জুলাইয়ে এই বেষ্টনী দেওয়া হয়েছিল।

আবদুর রহমান আল সুদাইস জানান, ওমরাহ’র মৌসুম শুরু হওয়ার পর পবিত্র কাবাঘরের বেষ্টনী তুলে নেওয়া হয়েছে। পবিত্র মসজিদুল হারামে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

মুসল্লিদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা দিতে সব সেক্টরের সমন্বয়ে জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

২০২০ সালের জুলাইয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ও মুসল্লিদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই বেষ্টনী দেওয়া হয়েছিল। এ দীর্ঘ সময় কাবাঘরে স্থাপিত হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর স্পর্শ বা চুম্বন করতে পারেননি মুসল্লিরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দুই বছর পর সরে গেল কাবাঘরের চারপাশের বেষ্টনী

আপডেট সময় ০৯:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অগাস্ট ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসের কারণে দেওয়া কাবাঘরের চারপাশের বেষ্টনী তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন পবিত্র কাবাঘরের কাছে গিয়ে সরাসারি তা স্পর্শ করতে পারছেন মুসল্লিরা।

মঙ্গলবার সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশক্রমে সুরক্ষা বেষ্টনী তুলে নেওয়ার কথা জানান পবিত্র দুই মসজিদের জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান আল সুদাইস। করোনার প্রকোপ শুরু হলে ২০২০ সালের জুলাইয়ে এই বেষ্টনী দেওয়া হয়েছিল।

আবদুর রহমান আল সুদাইস জানান, ওমরাহ’র মৌসুম শুরু হওয়ার পর পবিত্র কাবাঘরের বেষ্টনী তুলে নেওয়া হয়েছে। পবিত্র মসজিদুল হারামে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

মুসল্লিদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা দিতে সব সেক্টরের সমন্বয়ে জেনারেল প্রেসিডেন্সি বিভাগ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

২০২০ সালের জুলাইয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ও মুসল্লিদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই বেষ্টনী দেওয়া হয়েছিল। এ দীর্ঘ সময় কাবাঘরে স্থাপিত হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর স্পর্শ বা চুম্বন করতে পারেননি মুসল্লিরা।