ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

পদোন্নতির জটিলতায় হতাশা পুলিশে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশ সুপারেনটেনডেন্ট (এসপি) এর ৯১টি পদ শূন্য থাকার পরও পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ও মন্ত্রণালয়ে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার ভিন্ন ভিন্ন তদ্বিরের কারণেই পদোন্নতি ও পদায়নে দেরি হচ্ছে।

এতে করে ৯১ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি পদোন্নতির জটিলতায় পড়েছেন প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মকর্তা। পদোন্নতি না পাওয়ায় মাঠ পর্যায়ের এই পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঝে বিরাজ করছে হতাশা।

পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে আগে কখনও একসঙ্গে এসপির এতগুলো পদ শূন্য ছিল না। অথচ এডিশনাল আইজিপি থেকে শুরু করে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত সবকটি স্তরে অন্তত ৪০০ কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে আছে। এতে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা শুরু হয়েছে।

পদোন্নতি প্রত্যাশী একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এখন ‘জিও’ (গভর্নমেন্ট ওর্ডার) বা সরকারি আদেশের অপেক্ষায় আছেন তারা। তবে কোন কোন পুলিশ কর্মকর্তা প্রমোশন পাবেন, তাদের তালিকা নিয়ে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।

একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের নানা ধরনের ‘হিসাব-নিকাশ’-এর কারণে পদ শূন্য থাকার পরও ৯১ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। একারণে পুলিশের এসপি পদের পদোন্নতি এক বছর ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে। বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) বৈঠকও হচ্ছে না।

দেরি হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘পুলিশের এত সংখ্যক শুন্য পদ পূরণের জন্য যেসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, তাতে স্বাভাবিকভাবেই এই সময় লাগে। এতে আনইউজুয়্যাল কিছু হচ্ছে না বলেই আমার মনে হয়েছে।’

এর আগে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) একে এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের কাছে বলেছিলেন, ‘পদোন্নতির জন্য আমরা তালিকাসহ প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। ডিপিসি’র বৈঠক হলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসপি পদে পদোন্নতি হলে এডিশনাল এসপি পদ খালি হবে। ওই সব পদে সিনিয়র এএসপিরা পদোন্নতি পাবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে পদোন্নতি পেয়ে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি বা সিনিয়র এএসপি পদে দায়িত্ব পালন করছেন,বর্তমানে তাদের অনেকের চাকরির বয়স প্রায় শেষের দিকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

পদোন্নতির জটিলতায় হতাশা পুলিশে

আপডেট সময় ০২:১৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পুলিশ সুপারেনটেনডেন্ট (এসপি) এর ৯১টি পদ শূন্য থাকার পরও পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ও মন্ত্রণালয়ে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার ভিন্ন ভিন্ন তদ্বিরের কারণেই পদোন্নতি ও পদায়নে দেরি হচ্ছে।

এতে করে ৯১ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার যেমন বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি পদোন্নতির জটিলতায় পড়েছেন প্রায় ৪০০ পুলিশ কর্মকর্তা। পদোন্নতি না পাওয়ায় মাঠ পর্যায়ের এই পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঝে বিরাজ করছে হতাশা।

পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে আগে কখনও একসঙ্গে এসপির এতগুলো পদ শূন্য ছিল না। অথচ এডিশনাল আইজিপি থেকে শুরু করে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত সবকটি স্তরে অন্তত ৪০০ কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে আছে। এতে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা শুরু হয়েছে।

পদোন্নতি প্রত্যাশী একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এখন ‘জিও’ (গভর্নমেন্ট ওর্ডার) বা সরকারি আদেশের অপেক্ষায় আছেন তারা। তবে কোন কোন পুলিশ কর্মকর্তা প্রমোশন পাবেন, তাদের তালিকা নিয়ে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।

একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের নানা ধরনের ‘হিসাব-নিকাশ’-এর কারণে পদ শূন্য থাকার পরও ৯১ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। একারণে পুলিশের এসপি পদের পদোন্নতি এক বছর ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে। বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) বৈঠকও হচ্ছে না।

দেরি হওয়ার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘পুলিশের এত সংখ্যক শুন্য পদ পূরণের জন্য যেসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, তাতে স্বাভাবিকভাবেই এই সময় লাগে। এতে আনইউজুয়্যাল কিছু হচ্ছে না বলেই আমার মনে হয়েছে।’

এর আগে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) একে এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের কাছে বলেছিলেন, ‘পদোন্নতির জন্য আমরা তালিকাসহ প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। ডিপিসি’র বৈঠক হলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, এসপি পদে পদোন্নতি হলে এডিশনাল এসপি পদ খালি হবে। ওই সব পদে সিনিয়র এএসপিরা পদোন্নতি পাবেন। বিভাগীয় পর্যায়ে পদোন্নতি পেয়ে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা এডিশনাল এসপি বা সিনিয়র এএসপি পদে দায়িত্ব পালন করছেন,বর্তমানে তাদের অনেকের চাকরির বয়স প্রায় শেষের দিকে।