ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল জামায়াত যেদিন লোগো থেকে আকিমুদ দ্বীন উঠিয়েছে সেদিনই তারা পরাজিত: চরমোনাই পীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল জেনার সাথে জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক: হারুনুর রশিদ বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জ্বালানি তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: জ্বালানি বিভাগ নৈতিক স্খলন প্রমাণিত, জামায়াতের এমপি নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

বার্সেলোনার স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট ঘিরে উত্তেজনা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্পেনের বার্সেলোনাসহ কাতালান জাতিগোষ্ঠীর অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন দেশ গঠনের প্রশ্নে অনুষ্ঠেয় গণভোট ঘিরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার গণভোটের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশই দখল করেছে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ বাহিনী। স্পেন সরকার এ গণভোটকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে তা প্রতিহতের হুমকি দেয়।

রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সরকারের নির্দেশে কাতালোনিয়া অঞ্চলের স্কুলগুলোতে স্থাপিত ২ হাজার ৩১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৩০০টি সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। রোববার গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

গণভোটের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি বাহিনী ভোটকেন্দ্র দখল করায় পরিস্থিতি সহিংতার দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার কেন্দ্রীয় প্রশাসন আঞ্চলিক টেলিকমিউনিকেশন ভবন দখলে নিয়েছে।

সম্পদ ও সংস্কৃতিতে স্পেনের সমৃদ্ধ অঞ্চল কাতালোনিয়া। প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের এ অঞ্চল স্পেনের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাতালানরা স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার গণভোটের ডাক দেয় তারা। গণভোটের পক্ষে বিপুল সমর্থন রয়েছে।

কাতালোনিয়া অঞ্চল উচ্চমাত্রায় স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার পথে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। এই বাধা দূর করতেই গণভোটের আয়োজন। তবে দেশটির সাংবিধানিক আদালত গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

কাতালানরা গণভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও তা বন্ধ করতে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত স্কুলগুলোতে স্বাধীনতাকামী কর্মীরা অবস্থান নেওয়ার পর পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে স্বাধীনতাকমী পরিবারগুলো অবস্থান নিচ্ছে। তাদের সঙ্গে শিশুরাও আছে। রয়টার্সের খবর মতে, প্রায় ১৬৩টি স্কুল পরিবারগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সরকারি বাধার মুখে গণভোট বন্ধ করার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। কাতালান নেতা চার্লস পুইগডেমন্ট বলেছেন, গণভোট হবেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

বার্সেলোনার স্বাধীনতা প্রশ্নে গণভোট ঘিরে উত্তেজনা

আপডেট সময় ১২:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

স্পেনের বার্সেলোনাসহ কাতালান জাতিগোষ্ঠীর অঞ্চল নিয়ে স্বাধীন দেশ গঠনের প্রশ্নে অনুষ্ঠেয় গণভোট ঘিরে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার গণভোটের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অধিকাংশই দখল করেছে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ বাহিনী। স্পেন সরকার এ গণভোটকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে তা প্রতিহতের হুমকি দেয়।

রাজধানী মাদ্রিদ থেকে সরকারের নির্দেশে কাতালোনিয়া অঞ্চলের স্কুলগুলোতে স্থাপিত ২ হাজার ৩১৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৩০০টি সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন। রোববার গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

গণভোটের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর সরকারি বাহিনী ভোটকেন্দ্র দখল করায় পরিস্থিতি সহিংতার দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার কেন্দ্রীয় প্রশাসন আঞ্চলিক টেলিকমিউনিকেশন ভবন দখলে নিয়েছে।

সম্পদ ও সংস্কৃতিতে স্পেনের সমৃদ্ধ অঞ্চল কাতালোনিয়া। প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের এ অঞ্চল স্পেনের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কাতালানরা স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার গণভোটের ডাক দেয় তারা। গণভোটের পক্ষে বিপুল সমর্থন রয়েছে।

কাতালোনিয়া অঞ্চল উচ্চমাত্রায় স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার পথে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। এই বাধা দূর করতেই গণভোটের আয়োজন। তবে দেশটির সাংবিধানিক আদালত গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

কাতালানরা গণভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেও তা বন্ধ করতে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত স্কুলগুলোতে স্বাধীনতাকামী কর্মীরা অবস্থান নেওয়ার পর পুলিশ তাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে বিভিন্ন কেন্দ্রে স্বাধীনতাকমী পরিবারগুলো অবস্থান নিচ্ছে। তাদের সঙ্গে শিশুরাও আছে। রয়টার্সের খবর মতে, প্রায় ১৬৩টি স্কুল পরিবারগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সরকারি বাধার মুখে গণভোট বন্ধ করার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। কাতালান নেতা চার্লস পুইগডেমন্ট বলেছেন, গণভোট হবেই।