ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ : ওয়াইসি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করা হচ্ছে ভারতে। দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। গত বুধবারের এমন ঘোষণায় মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়লেও ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছরই থাকছে। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন একাধিক নেতা। এর মধ্যে এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘একজন ১৮ বছর বয়সী মেয়ে যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারেন তাহলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মতে, ‘১৮ বছর বয়সে একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করতে পারেন।’

সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, ‘১৮ বছর বয়সে একজন মেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, ব্যবসা শুরু করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী-সাংসদ বিধায়ক নির্বাচন করতে পারেন। তাহলে জীবনসঙ্গী নয় কেন? আমি মনে করি যে ছেলেদেরও বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করা উচিত।’

এর আগে, গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দেয় সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

ভারতের টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে, প্রথম গর্ভধারণের সময় একজন নারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। বিবাহের বয়সের নিম্নসীমা পরিবার, সমাজ এবং শিশুদের উপর একটি ইতিবাচক আর্থিক, সামাজিক এবং স্বাস্থ্যের প্রভাব ফেলবে বলে সমর্থকরা জানান।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘১৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ : ওয়াইসি

আপডেট সময় ১১:৫১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করা হচ্ছে ভারতে। দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। গত বুধবারের এমন ঘোষণায় মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়লেও ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছরই থাকছে। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন একাধিক নেতা। এর মধ্যে এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও রয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে এ বিষয়ে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘একজন ১৮ বছর বয়সী মেয়ে যদি দেশের প্রধানমন্ত্রী বাছাই করতে পারেন তাহলে জীবনসঙ্গী কেন নয়?’ আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মতে, ‘১৮ বছর বয়সে একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করতে পারেন।’

সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, ‘১৮ বছর বয়সে একজন মেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, ব্যবসা শুরু করতে পারে, প্রধানমন্ত্রী-সাংসদ বিধায়ক নির্বাচন করতে পারেন। তাহলে জীবনসঙ্গী নয় কেন? আমি মনে করি যে ছেলেদেরও বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করা উচিত।’

এর আগে, গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দেয় সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

ভারতের টাস্ক ফোর্স জানিয়েছে, প্রথম গর্ভধারণের সময় একজন নারীর বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। বিবাহের বয়সের নিম্নসীমা পরিবার, সমাজ এবং শিশুদের উপর একটি ইতিবাচক আর্থিক, সামাজিক এবং স্বাস্থ্যের প্রভাব ফেলবে বলে সমর্থকরা জানান।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতের মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।