ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

মিয়ানমারের জেনারেলদের বিচার চায় যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা ও ধর্ষণের মত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় মিয়ানমারের সেনা নেতৃত্বকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হেলি। রাখাইনের পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার আহ্বানও করেছেন।

মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে নিকি হেলির এ আহ্বান আসে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

সেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট এই প্রথমবারের মতো রাখাইনে দমন-পীড়নের পেছনে জড়িত সেনা নেতৃত্বকে শাস্তির মুখোমুখি করার কথা বলেছে। কিন্তু বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেওয়া বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নতুন করে আরোপের যে হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দিচ্ছিল, সে প্রসঙ্গ আর টানেননি হেলি।

বৈঠকে তিনি বলেন, মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যে নির্মম অভিযান চালাচ্ছে সে কথা বলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বিধা থাকা উচিত নয়।

‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে অবশ্যই মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাদের অবশ্যই দায়িত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে এবং অপরাধের জন্য বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া না মেলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইডেন, মিশর, সেনেগাল ও কাজাখস্তানের অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদ এই বৈঠকে বসে।

রাখাইনে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অবিলম্বে ত্রাণ সংস্থাগুলোকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়েছেন।

এই সঙ্কটের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোসহ পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অসন্তোষের ঝুঁকি দেখা দেওয়ার বিষয়েও সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহসাচিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়ানমারের জেনারেলদের বিচার চায় যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৬:০০:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের হত্যা ও ধর্ষণের মত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় মিয়ানমারের সেনা নেতৃত্বকে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হেলি। রাখাইনের পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার আহ্বানও করেছেন।

মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে নিকি হেলির এ আহ্বান আসে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

সেখানে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট এই প্রথমবারের মতো রাখাইনে দমন-পীড়নের পেছনে জড়িত সেনা নেতৃত্বকে শাস্তির মুখোমুখি করার কথা বলেছে। কিন্তু বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় মিয়ানমারের ওপর থেকে তুলে নেওয়া বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নতুন করে আরোপের যে হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দিচ্ছিল, সে প্রসঙ্গ আর টানেননি হেলি।

বৈঠকে তিনি বলেন, মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ একটি নৃগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যে নির্মম অভিযান চালাচ্ছে সে কথা বলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বিধা থাকা উচিত নয়।

‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে অবশ্যই মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তাদের অবশ্যই দায়িত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে এবং অপরাধের জন্য বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া না মেলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সুইডেন, মিশর, সেনেগাল ও কাজাখস্তানের অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদ এই বৈঠকে বসে।

রাখাইনে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে অবিলম্বে ত্রাণ সংস্থাগুলোকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়েছেন।

এই সঙ্কটের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোসহ পুরো অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক অসন্তোষের ঝুঁকি দেখা দেওয়ার বিষয়েও সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহসাচিব।