ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায় : মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য আইন কোনো বাধা নয়। বাধা হলো এই অবৈধ সরকার। তারা গণতন্ত্রের মূল কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে দিতে চায়।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মৌন মিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এদিন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি পালনে পুলিশ বাধা দেওয়ায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্তভাবে সমাবেশ করেন তারা।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে তারা কথা বলতে দিতে চায় না। তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষকে মৌলিক অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই করতে হবে।

তিনি বলেন, এই সরকার মৌন মিছিলও ভয় পায়। কারণ তারা চিন্তা করে এই মৌন মিছিলের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের ঘণ্টা যদি বাজতে থাকে। সেজন্য তারা মৌন মিছিল আটকে দিয়েছে।

দেশের নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অবদান দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার। তিনি রাজনীতিতে আসার পর থেকে দেশের গণতন্ত্রের জন্য কাজ করেছেন। এখনও করে যাচ্ছেন। সেই দেশনেত্রী আজ গুরুতর অসুস্থ। কয়েকদিন ধরেই আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানাচ্ছি। তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, যে নেত্রী এই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নয় বছর লড়াই করেছেন, যার আমলে নারীরা ক্ষমতায়নের সুযোগ পেয়েছেন, যিনি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছিলেন, সেই নেত্রী আজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

ফখরুল বলেন, আমাদের জীবন বাজি রেখে লড়াই করতে হবে। ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে লড়াই করেছি, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে সংগ্রাম করেছে, আজকে আবার দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, দেশনেত্রীকে মুক্ত করার লক্ষ্যে তেমনই সংগ্রাম করতে হবে। তার চিকিৎসা করে আবার জনগণের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের নেতা যার নেতৃত্বে আমরা রাজনীতি করছি সেই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিন খান, নেওয়াজ হালিমা আরলি, নিলুফার চৌধুরী মনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রাজিয়া আলিম, সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার বেগম, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আমেনা খাতুন, নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রহিমা শরীফ মায়া, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আয়শা আক্তার হীরা, টাঙ্গাইল জেলা সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহাম্মদপুর ও আদাবরে পৃথক ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৩

সরকার খালেদা জিয়াকে স্তব্ধ করে দিতে চায় : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য আইন কোনো বাধা নয়। বাধা হলো এই অবৈধ সরকার। তারা গণতন্ত্রের মূল কণ্ঠকে স্তব্ধ করতে দিতে চায়।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মৌন মিছিল কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এদিন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি পালনে পুলিশ বাধা দেওয়ায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্তভাবে সমাবেশ করেন তারা।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে তারা কথা বলতে দিতে চায় না। তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিয়েছে। দেশের মানুষকে মৌলিক অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই করতে হবে।

তিনি বলেন, এই সরকার মৌন মিছিলও ভয় পায়। কারণ তারা চিন্তা করে এই মৌন মিছিলের মধ্য দিয়ে সরকারের পতনের ঘণ্টা যদি বাজতে থাকে। সেজন্য তারা মৌন মিছিল আটকে দিয়েছে।

দেশের নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অবদান দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার। তিনি রাজনীতিতে আসার পর থেকে দেশের গণতন্ত্রের জন্য কাজ করেছেন। এখনও করে যাচ্ছেন। সেই দেশনেত্রী আজ গুরুতর অসুস্থ। কয়েকদিন ধরেই আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানাচ্ছি। তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, যে নেত্রী এই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য নয় বছর লড়াই করেছেন, যার আমলে নারীরা ক্ষমতায়নের সুযোগ পেয়েছেন, যিনি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে এসেছিলেন, সেই নেত্রী আজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

ফখরুল বলেন, আমাদের জীবন বাজি রেখে লড়াই করতে হবে। ১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে লড়াই করেছি, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে সংগ্রাম করেছে, আজকে আবার দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, দেশনেত্রীকে মুক্ত করার লক্ষ্যে তেমনই সংগ্রাম করতে হবে। তার চিকিৎসা করে আবার জনগণের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের নেতা যার নেতৃত্বে আমরা রাজনীতি করছি সেই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।

মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিন খান, নেওয়াজ হালিমা আরলি, নিলুফার চৌধুরী মনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি রাজিয়া আলিম, সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার বেগম, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আমেনা খাতুন, নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রহিমা শরীফ মায়া, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর আয়শা আক্তার হীরা, টাঙ্গাইল জেলা সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম প্রমুখ।