ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমছে। গত প্রায় এক মাসের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেলে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ১৭ ডলার। প্রায় ১৯ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দাম কমায় এখন থেকে যেসব এলসি খোলা হবে সেগুলোতে আমদানি খরচ কমবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপও কমে যাবে। সব মিলে স্বস্তি ফিরে আসবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায়।

গত নভেম্বরের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ৯০ ডলারে উঠেছিল। শনিবার তা কমে ৭৩ ডলারের নিচে নেমেছে। গত ২৭ দিনে তেলের দাম কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। এদিকে তেলের দাম ৯০ ডলারে ওঠার পর সরকার প্রতি লিটারে ডিজিলের দাম বাড়িয়ে ৬৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা করেছে। এখন ৭৩ ডলারে নামায় সরকার লাভের মুখ দেখার কাছাকাছি রয়েছে।

প্রতি ব্যারেল ৭১ ডলারে নামলে সরকার আগের দামে আয়-ব্যয়ে সমান অবস্থানে চলে যাবে। ৭১ ডলারের নিচে নামলে সরকার লাভের মুখ দেখবে। এদিকে দেশেও জ্বালানি তেলের চাহিদা ১০ থেকে ১২ শতাংশ হারে বাড়ছে। তেল আমদানিতে চলতি অর্থবছরের জুলাই সেপ্টেম্বরে এলসি খোলা বেড়েছে ৭০ শতাংশের বেশি। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি। তেল আমদানিতে সরকার ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে ১৫০ কোটি ডলার।

বাড়তি দামের কারণে আরও বেশি ঋণের সংস্থান করছিল। কিন্তু তেলের দাম কমায় এক দিকে আমদানি ব্যয় যেমন কমবে, তেমনি এ খাতে বাড়তি ঋণ নাও লাগতে পারে। কেননা দাম কমার কারণে আমদানি ব্যয়ও কম হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় চাপ কমবে। এদিকে চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি বেড়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত অর্থবছরে এ হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল। ঘাটতি মেটাতেও সরকার বাড়তি ঋণের আয়োজন করছিল। তেলের দাম কমলে বাড়তি ঋণের প্রয়োজন হবে না বলে অনেকেই মনে করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি

আপডেট সময় ০৬:১০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমছে। গত প্রায় এক মাসের ব্যবধানে প্রতি ব্যারেলে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ১৭ ডলার। প্রায় ১৯ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দাম কমায় এখন থেকে যেসব এলসি খোলা হবে সেগুলোতে আমদানি খরচ কমবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপও কমে যাবে। সব মিলে স্বস্তি ফিরে আসবে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায়।

গত নভেম্বরের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ৯০ ডলারে উঠেছিল। শনিবার তা কমে ৭৩ ডলারের নিচে নেমেছে। গত ২৭ দিনে তেলের দাম কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। এদিকে তেলের দাম ৯০ ডলারে ওঠার পর সরকার প্রতি লিটারে ডিজিলের দাম বাড়িয়ে ৬৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা করেছে। এখন ৭৩ ডলারে নামায় সরকার লাভের মুখ দেখার কাছাকাছি রয়েছে।

প্রতি ব্যারেল ৭১ ডলারে নামলে সরকার আগের দামে আয়-ব্যয়ে সমান অবস্থানে চলে যাবে। ৭১ ডলারের নিচে নামলে সরকার লাভের মুখ দেখবে। এদিকে দেশেও জ্বালানি তেলের চাহিদা ১০ থেকে ১২ শতাংশ হারে বাড়ছে। তেল আমদানিতে চলতি অর্থবছরের জুলাই সেপ্টেম্বরে এলসি খোলা বেড়েছে ৭০ শতাংশের বেশি। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি। তেল আমদানিতে সরকার ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে থাকে ১৫০ কোটি ডলার।

বাড়তি দামের কারণে আরও বেশি ঋণের সংস্থান করছিল। কিন্তু তেলের দাম কমায় এক দিকে আমদানি ব্যয় যেমন কমবে, তেমনি এ খাতে বাড়তি ঋণ নাও লাগতে পারে। কেননা দাম কমার কারণে আমদানি ব্যয়ও কম হবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় চাপ কমবে। এদিকে চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি বেড়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত অর্থবছরে এ হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল। ঘাটতি মেটাতেও সরকার বাড়তি ঋণের আয়োজন করছিল। তেলের দাম কমলে বাড়তি ঋণের প্রয়োজন হবে না বলে অনেকেই মনে করেন।