ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘আফগানিস্তানের কাছে ঘাঁটি গাড়ার পাঁয়তারা করছে যুক্তরাষ্ট্র’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তান ছাড়লেও এর আশপাশের কোনো একটি দেশে সামরিকঘাঁটি তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনাও করেছে ওয়াশিংটন। রাশিয়ান টেলিভিশনকে (আরটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এসব কথা বলেন।

সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, এ প্রস্তাব পাকিস্তান, উজবেকিস্তান ও কিরগিজস্তানের কাছে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব প্রস্তাবে দেশগুলো সাড়া দেয়নি।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকানদের প্রচেষ্টা সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই সচেতন আছি। তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নানাদিক থেকে চাপ দেবে। আমি শুনেছি, যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যেন ভারতীয় ভূখণ্ডে পেন্টাগনকে কিছু সুযোগ দেওয়া হয়।

ল্যাভরভ বলেন, ভ্লাদিমির পুতিন ও বাইডেন এ বিষয়ে জেনেভা সম্মেলনে আলোচনা করেছেন।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বলেছেন, মধ্য এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত যে কোনো পদক্ষেপের বিরোধী রাশিয়া। আফগানিস্তানের কাছাকাছি কোথাও সেনা মোতায়েনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইতোমধ্যে বেশ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

আফগানিস্তানের জাতীয় সংহতি আন্দোলনের প্রধান সাইয়েদ ইসহাক গিলানি বলেন, নিশ্চিতভাবে, ঘাঁটি হয়তো দায়েশ বা আল কায়েদা দমনের জন্য হবে। কিন্তু ফল ভোগ করতে হবে আফগানদের।

সাবেক কূটনীতিক শুকরিয়া বারেকজাই বলেন, আশপাশের কোনো দেশে মার্কিন সামরিকঘাঁটি তৈরি করা হলে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।

ইসলামিক আমিরাতের উপমুখপাত্র বিলাল কারিমি বলেন, ইসলামিক আমিরাত তার নীতিতে অটল। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশ বা বিশ্বের কোনো দেশ হুমকির সম্মুখীন হবে না। ইসলামিক আমিরাত চায় সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘আফগানিস্তানের কাছে ঘাঁটি গাড়ার পাঁয়তারা করছে যুক্তরাষ্ট্র’

আপডেট সময় ০১:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আফগানিস্তান ছাড়লেও এর আশপাশের কোনো একটি দেশে সামরিকঘাঁটি তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনাও করেছে ওয়াশিংটন। রাশিয়ান টেলিভিশনকে (আরটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এসব কথা বলেন।

সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, এ প্রস্তাব পাকিস্তান, উজবেকিস্তান ও কিরগিজস্তানের কাছে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব প্রস্তাবে দেশগুলো সাড়া দেয়নি।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমেরিকানদের প্রচেষ্টা সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই সচেতন আছি। তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নানাদিক থেকে চাপ দেবে। আমি শুনেছি, যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যেন ভারতীয় ভূখণ্ডে পেন্টাগনকে কিছু সুযোগ দেওয়া হয়।

ল্যাভরভ বলেন, ভ্লাদিমির পুতিন ও বাইডেন এ বিষয়ে জেনেভা সম্মেলনে আলোচনা করেছেন।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বলেছেন, মধ্য এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন সংক্রান্ত যে কোনো পদক্ষেপের বিরোধী রাশিয়া। আফগানিস্তানের কাছাকাছি কোথাও সেনা মোতায়েনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইতোমধ্যে বেশ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

আফগানিস্তানের জাতীয় সংহতি আন্দোলনের প্রধান সাইয়েদ ইসহাক গিলানি বলেন, নিশ্চিতভাবে, ঘাঁটি হয়তো দায়েশ বা আল কায়েদা দমনের জন্য হবে। কিন্তু ফল ভোগ করতে হবে আফগানদের।

সাবেক কূটনীতিক শুকরিয়া বারেকজাই বলেন, আশপাশের কোনো দেশে মার্কিন সামরিকঘাঁটি তৈরি করা হলে এ অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে।

ইসলামিক আমিরাতের উপমুখপাত্র বিলাল কারিমি বলেন, ইসলামিক আমিরাত তার নীতিতে অটল। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী দেশ বা বিশ্বের কোনো দেশ হুমকির সম্মুখীন হবে না। ইসলামিক আমিরাত চায় সব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক।