ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার ২০২৬ বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিল জার্মানি

সরকার ই-কমার্সে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের দায় নেবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার ই-কমার্সে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের দায়ভার নেবে না বলে জানিয়ে দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গ্রাহকরা কম দামে পণ্য কেনার সময় যেহেতু সরকারকে জানায়নি তাই তাদের ক্ষতির দায় সরকারের ওপর পড়ে না বলে মনে করেন তিনি।

রংপুর নগরীতে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে শুক্রবার বিকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অন্তত ২০ হাজার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর সঙ্গে অনেকেই জড়িত। গ্রাহকরা কম মূল্যে পণ্য কিনতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা কম দামে পণ্য কেনার সময় তো সরকারকে জানায়নি। তাদের (গ্রাহকদের) ক্ষতির দায় সরকার নেবে কেন? তবে যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে সরকার।

অবশ্য গত ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে অর্থনৈতিক সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ই-কমার্সে প্রতারণার জন্য প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠান করার সময় কারও না কারও ছাড়পত্র নিয়েই করা হচ্ছে। এখানে ছাড়পত্র দিচ্ছে কমার্স মিনিস্ট্রি। তাদের প্রাইমারিলি দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের সঙ্গে অন্য যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদের সবারই আমি মনে করি দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বেশ কয়েকটি ই-কমার্সের শীর্ষ ব্যক্তিরা সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় অর্ধেক দামে পণ্য দেওয়া তুমুল আলোচিত প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং ও কিউকম। এসব প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক-মার্চেন্টদের পাওনা হাজার কোটি টাকার বেশি। পাওনা এসব অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করেছেন কি না সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ভালো করুক। এখন পর্যন্ত ১০-১২টা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সেখানে দাম বাড়ায় আমাদের দেশেও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ভারতে দাম কমলে এখানেও কমে আসবে। তবে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।

এছাড়াও বিশ্ববাজারে চিনির দাম বেশি হওয়ায় দেশে এর প্রভাব পড়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ, রংপুর চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

সরকার ই-কমার্সে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকের দায় নেবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:০৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার ই-কমার্সে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের দায়ভার নেবে না বলে জানিয়ে দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গ্রাহকরা কম দামে পণ্য কেনার সময় যেহেতু সরকারকে জানায়নি তাই তাদের ক্ষতির দায় সরকারের ওপর পড়ে না বলে মনে করেন তিনি।

রংপুর নগরীতে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে শুক্রবার বিকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অন্তত ২০ হাজার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর সঙ্গে অনেকেই জড়িত। গ্রাহকরা কম মূল্যে পণ্য কিনতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তারা কম দামে পণ্য কেনার সময় তো সরকারকে জানায়নি। তাদের (গ্রাহকদের) ক্ষতির দায় সরকার নেবে কেন? তবে যেসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে সরকার।

অবশ্য গত ২২ সেপ্টেম্বর দুপুরে অর্থনৈতিক সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ই-কমার্সে প্রতারণার জন্য প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘এসব প্রতিষ্ঠান করার সময় কারও না কারও ছাড়পত্র নিয়েই করা হচ্ছে। এখানে ছাড়পত্র দিচ্ছে কমার্স মিনিস্ট্রি। তাদের প্রাইমারিলি দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের সঙ্গে অন্য যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদের সবারই আমি মনে করি দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বেশ কয়েকটি ই-কমার্সের শীর্ষ ব্যক্তিরা সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় অর্ধেক দামে পণ্য দেওয়া তুমুল আলোচিত প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং ও কিউকম। এসব প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক-মার্চেন্টদের পাওনা হাজার কোটি টাকার বেশি। পাওনা এসব অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করেছেন কি না সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ভালো করুক। এখন পর্যন্ত ১০-১২টা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতে বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। সেখানে দাম বাড়ায় আমাদের দেশেও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। ভারতে দাম কমলে এখানেও কমে আসবে। তবে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।

এছাড়াও বিশ্ববাজারে চিনির দাম বেশি হওয়ায় দেশে এর প্রভাব পড়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আলীম মাহমুদ, রংপুর চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।