ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তালেবান কীভাবে শক্তি পেল জানালেন মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তারা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের দু’মাস হতে হতে চললেও ঘোর কাটছে না মার্কিনিদের। কীভাবে ১ লাখেরও কম সদস্যের বাহিনী দিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি স্বল্প সময়ে সমগ্র আফগানিস্তান দখল করল তার সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র।

গত দুই দিন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ আর্মস সার্ভিস কমিটিতে আফগানিস্তানের বিপর্যকর সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে তারা তালেবানের ক্ষমতার রহস্য জানিয়েছেন।

সিনেটে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি বলেন, আফগান সরকার ও মার্কিন সেনাবাহিনীর ওপর দোহা চুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়েছিল। দোহা চুক্তির পর গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সেনা কমানোর যে ঘোষণা দেন, তা ছিল কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক।

প্রসঙ্গত, কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং তালেবানের দোহা মুখপাত্র সোহাইল শাহীন উপস্থিত ছিলেন।

জেনারেল ম্যাকেঞ্জি বলেন, দোহা চুক্তি আফগান সরকারের ওপর শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পেরেছিল। আফগান সরকার বুঝতে পেরেছিল যে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই তাদের দেওয়া সব সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, দোহা চুক্তি তালেবানকে শক্তিশালী হতে সহায়তা করেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, দোহা চুক্তি অনুসারে তালেবানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত তালেবানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তালেবান আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বাড়িয়েছে। সাপ্তাহিক হিসাবে তালেবানের হামলায় আফগানদের মৃত্যু বেড়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তালেবান কীভাবে শক্তি পেল জানালেন মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের দু’মাস হতে হতে চললেও ঘোর কাটছে না মার্কিনিদের। কীভাবে ১ লাখেরও কম সদস্যের বাহিনী দিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি স্বল্প সময়ে সমগ্র আফগানিস্তান দখল করল তার সমীকরণ মেলাতে ব্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র।

গত দুই দিন হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ আর্মস সার্ভিস কমিটিতে আফগানিস্তানের বিপর্যকর সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে তারা তালেবানের ক্ষমতার রহস্য জানিয়েছেন।

সিনেটে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ফ্রাঙ্ক ম্যাকেঞ্জি বলেন, আফগান সরকার ও মার্কিন সেনাবাহিনীর ওপর দোহা চুক্তির ধ্বংসাত্মক প্রভাব পড়েছিল। দোহা চুক্তির পর গত এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন সেনা কমানোর যে ঘোষণা দেন, তা ছিল কফিনে ঠোকা শেষ পেরেক।

প্রসঙ্গত, কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং তালেবানের দোহা মুখপাত্র সোহাইল শাহীন উপস্থিত ছিলেন।

জেনারেল ম্যাকেঞ্জি বলেন, দোহা চুক্তি আফগান সরকারের ওপর শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলতে পেরেছিল। আফগান সরকার বুঝতে পেরেছিল যে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই তাদের দেওয়া সব সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনও এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, দোহা চুক্তি তালেবানকে শক্তিশালী হতে সহায়তা করেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, দোহা চুক্তি অনুসারে তালেবানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা বন্ধের সিদ্ধান্ত তালেবানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তালেবান আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বাড়িয়েছে। সাপ্তাহিক হিসাবে তালেবানের হামলায় আফগানদের মৃত্যু বেড়েছে।