ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

পূজার রাতে পয়সার মুখ দেখেন যৌনকর্মীরা!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতের সোনাগাছির নিষিদ্ধ পল্লীতে যৌনকর্মীদের ‘রেট’ এমনিতে ৪০০ কি ৫০০ রুপি। কিন্তু পূজার ক’দিন অন্য হিসেব।

এই কটা রাত তেমন ‘সস্তা’ নয় সোনাগাছিতে। আর তাই ৪০০ রুপির রাত বিকোচ্ছে ৭০০-৮০০তেও। হ্যাঁ, অন্য সবকিছুর মতো পূজার দিনে সোনাগাছির রাতের দামও চড়া।
শহর জুড়ে কোটি কোটি রুপির ব্যবসা হয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে। এর প্রভাব পড়ে সোনাগাছির নিষিদ্ধপল্লীতেও। বছরের অন্য রাতগুলোর থেকে পূজার রাতেই কিছু বেশি পয়সার মুখ দেখেন যৌনকর্মীরা। তাই অন্য ব্যবসায়ীদের মতো তাঁরাও সারাবছর অপেক্ষা করেন এই কয়েকটা দিনের জন্য। আসলে ওদের কাছে পূজা মানে সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে যাওয়া নয়। ওদের পূজা মানে দু-পয়সা বেশি রোজগারের জন্য খদ্দেরের অপেক্ষা করা। চরম ব্যস্ততার মধ্যেই তাই দুর্গাপূজার কটা রাত কাটে তাঁদের। কেননা এই সময়টা শুধু ‘বাঁধা খদ্দের’রা আসেন না তা নয়। জুটে যায় ‘ফ্লাইং কাস্টমার’ও। শহরতলী থেকে কাতারে কাতারে মানুষ প্রতিমা দর্শন করতে আসেন কলকাতায়। তবে প্রতিমা দর্শন যে নেহাতই অছিলা তা হাড়েহাড়ে টের পান যৌনকর্মীরা। তল্লাট জুড়ে এ সময় বহু অচেনা মুখ। চোখেমুখে অস্বস্তি দেখলেই রানি, সোনালিরা টের পেয়ে যান, এরা একবারের ‘খদ্দের’।

ঠাকুর দেখার নাম করে যৌনকামনা চরিতার্থ করতেই ঢুকে পড়েছেন নিষিদ্ধপল্লির অন্ধকারে। অতএব ঝোপ বুঝে কোপ মারতে তাঁরাও দ্বিধা করেন না। চড়া ‘রেট’ হেঁকে বসেন। আর পূজার সময় এই ‘কাস্টমার’রা তা দিয়েও দেন। কোন বাকবিতণ্ডা ছাড়াই৷ ফলে যত খদ্দের বেশি ধরা যায়, ততো লাভের মুথ দেখেন এঁরা৷ আর তাই চড়া রেটে তুমুল ব্যস্ততায় পেরতে থাকে সোনাগাছির রাত৷

কিন্তু এইসব দিনে বাঁধা বাবুরা যান কোথায়? যৌনকর্মীরাই জানাচ্ছেন, শাড়ি, টাকা দেওয়ার ভয়ে পূজার কটাদিন গা ঢাকা দেয় তারা। পূজা মিটে গেলে আবার তাদের দেখা মেলে। এটাই এখানকার চিরাচরিত রীতি। তখন আবার পুরনো ‘রেট’৷ তবে হাতে গোণা কিছু ‘বাবু’ অবশ্য তাঁদের আবদার মেটায়। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

পূজার রাতে পয়সার মুখ দেখেন যৌনকর্মীরা!

আপডেট সময় ১১:৩০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

ভারতের সোনাগাছির নিষিদ্ধ পল্লীতে যৌনকর্মীদের ‘রেট’ এমনিতে ৪০০ কি ৫০০ রুপি। কিন্তু পূজার ক’দিন অন্য হিসেব।

এই কটা রাত তেমন ‘সস্তা’ নয় সোনাগাছিতে। আর তাই ৪০০ রুপির রাত বিকোচ্ছে ৭০০-৮০০তেও। হ্যাঁ, অন্য সবকিছুর মতো পূজার দিনে সোনাগাছির রাতের দামও চড়া।
শহর জুড়ে কোটি কোটি রুপির ব্যবসা হয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে। এর প্রভাব পড়ে সোনাগাছির নিষিদ্ধপল্লীতেও। বছরের অন্য রাতগুলোর থেকে পূজার রাতেই কিছু বেশি পয়সার মুখ দেখেন যৌনকর্মীরা। তাই অন্য ব্যবসায়ীদের মতো তাঁরাও সারাবছর অপেক্ষা করেন এই কয়েকটা দিনের জন্য। আসলে ওদের কাছে পূজা মানে সেজেগুজে ঠাকুর দেখতে যাওয়া নয়। ওদের পূজা মানে দু-পয়সা বেশি রোজগারের জন্য খদ্দেরের অপেক্ষা করা। চরম ব্যস্ততার মধ্যেই তাই দুর্গাপূজার কটা রাত কাটে তাঁদের। কেননা এই সময়টা শুধু ‘বাঁধা খদ্দের’রা আসেন না তা নয়। জুটে যায় ‘ফ্লাইং কাস্টমার’ও। শহরতলী থেকে কাতারে কাতারে মানুষ প্রতিমা দর্শন করতে আসেন কলকাতায়। তবে প্রতিমা দর্শন যে নেহাতই অছিলা তা হাড়েহাড়ে টের পান যৌনকর্মীরা। তল্লাট জুড়ে এ সময় বহু অচেনা মুখ। চোখেমুখে অস্বস্তি দেখলেই রানি, সোনালিরা টের পেয়ে যান, এরা একবারের ‘খদ্দের’।

ঠাকুর দেখার নাম করে যৌনকামনা চরিতার্থ করতেই ঢুকে পড়েছেন নিষিদ্ধপল্লির অন্ধকারে। অতএব ঝোপ বুঝে কোপ মারতে তাঁরাও দ্বিধা করেন না। চড়া ‘রেট’ হেঁকে বসেন। আর পূজার সময় এই ‘কাস্টমার’রা তা দিয়েও দেন। কোন বাকবিতণ্ডা ছাড়াই৷ ফলে যত খদ্দের বেশি ধরা যায়, ততো লাভের মুথ দেখেন এঁরা৷ আর তাই চড়া রেটে তুমুল ব্যস্ততায় পেরতে থাকে সোনাগাছির রাত৷

কিন্তু এইসব দিনে বাঁধা বাবুরা যান কোথায়? যৌনকর্মীরাই জানাচ্ছেন, শাড়ি, টাকা দেওয়ার ভয়ে পূজার কটাদিন গা ঢাকা দেয় তারা। পূজা মিটে গেলে আবার তাদের দেখা মেলে। এটাই এখানকার চিরাচরিত রীতি। তখন আবার পুরনো ‘রেট’৷ তবে হাতে গোণা কিছু ‘বাবু’ অবশ্য তাঁদের আবদার মেটায়। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টিফোর।