ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

জালাল চৌধুরীকে আজীবন মনে রাখবেন মাশরাফি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দেশের স্বনামধন্য ক্রিকেট কোচ ও ক্রিকেট লেখক জালাল আহমেদ চৌধুরী আর নেই। আজ (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার চলে যাওয়াতে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি সাবেক টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্রিকেটে একজন জালাল চৌধুরির অবদান কখনওই ভুলবেন না মাশরাফি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে মাশরাফি লিখেছেন, ‘যাদের হাত ধরে ক্রিকেট জীবন শুরু করা, তাদের বিদায়গুলো এভাবে দেখা খুবই কঠিন। স্যার আপনার অধীনে খেলা, আপনার আদেশ, ড্রেসিংরুমে আপনার স্থির থাকা, আপনার লেখা- এসব কিছুই এখন স্মৃতি হয়ে গেলো। বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনার অবদান যারা দেখেছে, তারা আজীবন মনে রাখবে। অসংখ্য খেলোয়াড়ের গুরু ছিলেন আপনি, আর হয়েও থাকবেন। ওপারে ভালো থাকবেন স্যার। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন, আমিন।’

চলতি মাসে ১ তারিখ শ্বাসকষ্টের কারণে প্রথমবার আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জালাল আহমেদ চৌধুরী। পরে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় ১৫ সেপ্টেম্বর আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি ভেন্টিলেশনে গেলেও আশায় ছিলেন সবাই। কিন্তু ফেরানো গেলো না তাকে। চলেই গেলেন চিরতরে।

জালাল আহমেদ চৌধুরী ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর তার শৈশব কাটে আজিমপুরের কলোনিতে। তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু উদিতি ক্লাবে। এরপর খেলেন ইয়াং পেগাসাস ক্লাবের হয়ে। এছাড়া ধানমন্ডি ক্লাব, টাউন ক্লাবের হয়েও মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ১৯৭৯ সালে কোচিং কোর্স করেন আসেন ভারতের পাতিয়ালা থেকে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কিছুদিন চাকরি করার পর তার কোচিং ক্যারিয়ার শুরু আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব দিয়ে। পরে সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে কোচিং করান আবাহনী, মোহামেডান, ভিক্টোরিয়া, ধানমণ্ডি, ইয়াং পেগাসাস, সাধারণ বীমা, কলাবাগানসহ বিভিন্ন ক্লাবে। কয়েক বছর আগে পর্যন্তও ঢাকার শীর্ষ ক্রিকেটে কাজ করেছেন কাজ হিসেবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

জালাল চৌধুরীকে আজীবন মনে রাখবেন মাশরাফি

আপডেট সময় ০৭:০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দেশের স্বনামধন্য ক্রিকেট কোচ ও ক্রিকেট লেখক জালাল আহমেদ চৌধুরী আর নেই। আজ (মঙ্গলবার) সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার চলে যাওয়াতে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি সাবেক টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্রিকেটে একজন জালাল চৌধুরির অবদান কখনওই ভুলবেন না মাশরাফি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে মাশরাফি লিখেছেন, ‘যাদের হাত ধরে ক্রিকেট জীবন শুরু করা, তাদের বিদায়গুলো এভাবে দেখা খুবই কঠিন। স্যার আপনার অধীনে খেলা, আপনার আদেশ, ড্রেসিংরুমে আপনার স্থির থাকা, আপনার লেখা- এসব কিছুই এখন স্মৃতি হয়ে গেলো। বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনার অবদান যারা দেখেছে, তারা আজীবন মনে রাখবে। অসংখ্য খেলোয়াড়ের গুরু ছিলেন আপনি, আর হয়েও থাকবেন। ওপারে ভালো থাকবেন স্যার। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন, আমিন।’

চলতি মাসে ১ তারিখ শ্বাসকষ্টের কারণে প্রথমবার আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জালাল আহমেদ চৌধুরী। পরে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায় ১৫ সেপ্টেম্বর আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি ভেন্টিলেশনে গেলেও আশায় ছিলেন সবাই। কিন্তু ফেরানো গেলো না তাকে। চলেই গেলেন চিরতরে।

জালাল আহমেদ চৌধুরী ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর তার শৈশব কাটে আজিমপুরের কলোনিতে। তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু উদিতি ক্লাবে। এরপর খেলেন ইয়াং পেগাসাস ক্লাবের হয়ে। এছাড়া ধানমন্ডি ক্লাব, টাউন ক্লাবের হয়েও মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ১৯৭৯ সালে কোচিং কোর্স করেন আসেন ভারতের পাতিয়ালা থেকে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে কিছুদিন চাকরি করার পর তার কোচিং ক্যারিয়ার শুরু আজাদ স্পোর্টিং ক্লাব দিয়ে। পরে সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে কোচিং করান আবাহনী, মোহামেডান, ভিক্টোরিয়া, ধানমণ্ডি, ইয়াং পেগাসাস, সাধারণ বীমা, কলাবাগানসহ বিভিন্ন ক্লাবে। কয়েক বছর আগে পর্যন্তও ঢাকার শীর্ষ ক্রিকেটে কাজ করেছেন কাজ হিসেবে।