ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন জামায়াতের এমপি তলানিতে থাকা অর্থনীতিকে তুলে ধরতে বড় বিনিয়োগ জরুরি : অর্থমন্ত্রী আলোচিত স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলায় গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড জুলাই থেকে বিনামূল্যে ড্রেস-ব্যাগ-জুতা পাবেন শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : মন্ত্রী বৃষ্টিতে ফসল হারানো কৃষকদের পাশে সরকার, বিশেষ সহায়তার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী বজ্রপাতে বাবার মৃত্যু, কোল থেকে ছিটকে বাঁচল মেয়ে ফজলুর রহমান, ওদের সবার আতঙ্কের নাম: রাশেদ

সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখের বেশি বিনিয়োগে কমলো মুনাফা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার। নতুন হার অনুযায়ী ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের স্কিমে মুনাফার হার আগের মতো রাখা হলেও এর যার যত বেশি বিনিয়োগ, তার মুনাফার হার তত কম।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিযোগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এ মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর সকল সঞ্চয় স্কিমে মোট বিনিয়োগের ওপর প্রযোগ্য হারে মুনাফা পাবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নিয়মে যাদের এ সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। আর এ সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেতো। এখন এ সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এ হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

পরিবার সঞ্চয়পত্রের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার বর্তমানে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ হার সাড়ে ৯ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এর মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এ স্কিমের মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ রাখা হয়েছে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এছাড়াও ওয়েজ অর্নার ডেভলপমেন্ট ফান্ডের বর্তমান হার ১১ দশমিক ২০ শতাংশ থাকলে, ১৫ লাখের বেশি হলে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ, ৩০ লাখের বেশি হলে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ৫০ লাখের বেশি হলে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংসদ চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন জামায়াতের এমপি

সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখের বেশি বিনিয়োগে কমলো মুনাফা

আপডেট সময় ০৩:৫০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার। নতুন হার অনুযায়ী ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের স্কিমে মুনাফার হার আগের মতো রাখা হলেও এর যার যত বেশি বিনিয়োগ, তার মুনাফার হার তত কম।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিযোগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এ মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর সকল সঞ্চয় স্কিমে মোট বিনিয়োগের ওপর প্রযোগ্য হারে মুনাফা পাবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নিয়মে যাদের এ সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। আর এ সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেতো। এখন এ সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এ হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

পরিবার সঞ্চয়পত্রের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার বর্তমানে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ হার সাড়ে ৯ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এর মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এ স্কিমের মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ রাখা হয়েছে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এছাড়াও ওয়েজ অর্নার ডেভলপমেন্ট ফান্ডের বর্তমান হার ১১ দশমিক ২০ শতাংশ থাকলে, ১৫ লাখের বেশি হলে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ, ৩০ লাখের বেশি হলে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ৫০ লাখের বেশি হলে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।