ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চীনকে রুখতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় তারা উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভাগাভাগি করবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, মূলত চীনকে রুখতেই ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিটি করা হয়েছে।

এই চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরি করতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তিটি পরিচিত পেয়েছে অকাস (এইউকেইউএস) নামে। চুক্তির অধীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবারের মতো বিষয়গুলোও রয়েছে।

দেশ তিনটি চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের ডিজাইন করা সাবমেরিন বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

এর আগে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য ১২টি সাবমেনিন বানাতে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের চুক্তি হয়েছিল। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখন এই চুক্তি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ক্যানবেরার দাবি ছিল, এই সাবমেরিন বানানোর ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া থেকেই বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হবে। যার কারণে প্রকল্পটি বিলম্ব হয়ে যায়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি চালুর ব্যাপারে একটি যৌথ বিৃবতি জারি করেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন চুক্তিতে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির ব্যাপারে সমর্থন করার অঙ্গীকার করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে।’

নেতারা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া একটি অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে তার বাধ্যবাধকতাকে পূর্ণতা দিকে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

চীনকে রুখতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য-অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি

আপডেট সময় ০১:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া একটি বিশেষ নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই চুক্তির আওতায় তারা উন্নত প্রযুক্তির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভাগাভাগি করবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হচ্ছে, মূলত চীনকে রুখতেই ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিটি করা হয়েছে।

এই চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরি করতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। এই চুক্তিটি পরিচিত পেয়েছে অকাস (এইউকেইউএস) নামে। চুক্তির অধীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও সাইবারের মতো বিষয়গুলোও রয়েছে।

দেশ তিনটি চীনের ক্রমবর্ধমান শক্তি ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের ডিজাইন করা সাবমেরিন বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

এর আগে ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নেভির জন্য ১২টি সাবমেনিন বানাতে অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের চুক্তি হয়েছিল। এটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া এখন এই চুক্তি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ক্যানবেরার দাবি ছিল, এই সাবমেরিন বানানোর ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া থেকেই বেশিরভাগ যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে হবে। যার কারণে প্রকল্পটি বিলম্ব হয়ে যায়।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি চালুর ব্যাপারে একটি যৌথ বিৃবতি জারি করেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নতুন চুক্তিতে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা অস্ট্রেলিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির ব্যাপারে সমর্থন করার অঙ্গীকার করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করবে।’

নেতারা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া একটি অ-পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে তার বাধ্যবাধকতাকে পূর্ণতা দিকে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’