ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দশ হাজার টাকায় চাঁদে জমি কিনলেন দুই বাংলাদেশি তরুণ!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদে জমি বাণিজ্যের খবর নতুন কিছু নয়। বাস্তবে চোখে না দেখলেও পশ্চিমাদের অনেকেই হুজুগে পড়ে কাড়ি কাড়ি অর্থ গচ্ছা দেন পৃথিবীর উপগ্রহটির ভূমি কিনতে। এই তালিকায় আগে কখনও বাংলাদেশি কারও নাম শোনা গেলেও এবার দেশের দুই তরুণ চাঁদে জমি কিনেছেন বলে খবর চাউর হয়েছে।

এই দুই তরুণের একজন শেখ শাকিল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যজন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম শাহিন আলম। তারা দুজনই বন্ধু। দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরা।

চাঁদের জমির কথিত বিক্রেতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে তারা এক একর আয়তনের চন্দ্রভূমি মাত্র ৫৫ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় মাত্র প্রায় পাঁচ হাজার টাকা) কিনেছেন বলে দাবি করেছেন। অর্থাৎ তারা দুজন মাত্র ১১০ ডলারে দুই একর জমি কিনেছেন চাঁদে।

শাকিল ও শাহিনের দাবি, বুধবার তারা চাঁদে কেনা সেই জমির দলিল হাতে পেয়েছেন। চাঁদের মানচিত্রেও উল্লেখ রয়েছে তাদের জমির নির্ধারিত স্থান। জানতে চাইলে এস এম শাহিন আলম বলেন, ‘আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে প্রতিবেশ দেশ ভারতের অনেক নামীদামী তারকা চাঁদে জমি কিনেছেন। চাঁদে আমাদের জমি থাকবে, এমন শখ থেকেই খোঁজখবর নিতে শুরু করি এবং সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি।’

চাঁদের দেশে জমি কিনতে পেরে দারুণ খুশি শেখ শাকিল হোসেন। তিনি জানান, ‘কল্পরাজ্যের চাঁদের দেশে এক টুকরো জমি কিনতে পেরে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। খুব সম্ভবত, আমরাই প্রথম বাংলাদেশি যারা চাঁদে জমি কিনেছি।’

এর আগে ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে চাঁদে জমি কিনেছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, জিমি কার্টার ও রোলান্ড রিগ্যান। চাঁদে জমি কেনার জন্য মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’-ই হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানি। যার বাংলা অর্থ ‘চন্দ্র দূতাবাস’।

তাদের তথ্যানুযায়ী, চাঁদে জমির দাম একর প্রতি ২৪.৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ মার্কিন ডলার৷ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২১২৫ টাকা থেকে ৪২৪৩৭ টাকা। জানা গেছে, জমি কেনার পর ক্রেতাকে একটি বিক্রয় চুক্তি, কেনা জমির একটি স্যাটালাইট ছবি এবং জমিটির ভৌগোলিক অবস্থান ও মৌজা-পরচার মতো আইনি নথিও পাঠিয়ে থাকে সংস্থাটি৷ এছাড়া, কেউ যদি আরো একটু ব্যয় করতে রাজি থাকে, তাহলে তাদের জন্য চাঁদের সম্পূর্ণ মানচিত্র এবং অন্যান্য তথ্যও সরবরাহ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দশ হাজার টাকায় চাঁদে জমি কিনলেন দুই বাংলাদেশি তরুণ!

আপডেট সময় ০৬:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদে জমি বাণিজ্যের খবর নতুন কিছু নয়। বাস্তবে চোখে না দেখলেও পশ্চিমাদের অনেকেই হুজুগে পড়ে কাড়ি কাড়ি অর্থ গচ্ছা দেন পৃথিবীর উপগ্রহটির ভূমি কিনতে। এই তালিকায় আগে কখনও বাংলাদেশি কারও নাম শোনা গেলেও এবার দেশের দুই তরুণ চাঁদে জমি কিনেছেন বলে খবর চাউর হয়েছে।

এই দুই তরুণের একজন শেখ শাকিল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অন্যজন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এস এম শাহিন আলম। তারা দুজনই বন্ধু। দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরা।

চাঁদের জমির কথিত বিক্রেতা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে তারা এক একর আয়তনের চন্দ্রভূমি মাত্র ৫৫ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় মাত্র প্রায় পাঁচ হাজার টাকা) কিনেছেন বলে দাবি করেছেন। অর্থাৎ তারা দুজন মাত্র ১১০ ডলারে দুই একর জমি কিনেছেন চাঁদে।

শাকিল ও শাহিনের দাবি, বুধবার তারা চাঁদে কেনা সেই জমির দলিল হাতে পেয়েছেন। চাঁদের মানচিত্রেও উল্লেখ রয়েছে তাদের জমির নির্ধারিত স্থান। জানতে চাইলে এস এম শাহিন আলম বলেন, ‘আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে প্রতিবেশ দেশ ভারতের অনেক নামীদামী তারকা চাঁদে জমি কিনেছেন। চাঁদে আমাদের জমি থাকবে, এমন শখ থেকেই খোঁজখবর নিতে শুরু করি এবং সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি।’

চাঁদের দেশে জমি কিনতে পেরে দারুণ খুশি শেখ শাকিল হোসেন। তিনি জানান, ‘কল্পরাজ্যের চাঁদের দেশে এক টুকরো জমি কিনতে পেরে আমরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। খুব সম্ভবত, আমরাই প্রথম বাংলাদেশি যারা চাঁদে জমি কিনেছি।’

এর আগে ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’ থেকে চাঁদে জমি কিনেছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, জিমি কার্টার ও রোলান্ড রিগ্যান। চাঁদে জমি কেনার জন্য মার্কিন নাগরিক ডেনিস হোপের ‘লুনার অ্যাম্বাসি’-ই হলো সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানি। যার বাংলা অর্থ ‘চন্দ্র দূতাবাস’।

তাদের তথ্যানুযায়ী, চাঁদে জমির দাম একর প্রতি ২৪.৯৯ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৪৯৯ মার্কিন ডলার৷ বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২১২৫ টাকা থেকে ৪২৪৩৭ টাকা। জানা গেছে, জমি কেনার পর ক্রেতাকে একটি বিক্রয় চুক্তি, কেনা জমির একটি স্যাটালাইট ছবি এবং জমিটির ভৌগোলিক অবস্থান ও মৌজা-পরচার মতো আইনি নথিও পাঠিয়ে থাকে সংস্থাটি৷ এছাড়া, কেউ যদি আরো একটু ব্যয় করতে রাজি থাকে, তাহলে তাদের জন্য চাঁদের সম্পূর্ণ মানচিত্র এবং অন্যান্য তথ্যও সরবরাহ করা হয়।