ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী মোবাইল নয়, শিশুদের ফিরতে হবে খেলার মাঠে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এফবিসিসিআইয়ের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে এফবিসিসিআই’র মতবিনিময় সভায় এমন দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো. জসিস উদ্দিন।

রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন। সরকারি-বেসরকারি ৩২টি ব্যাংকের এমডি এতে উপস্থিত ছিলেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই খাতকে এগিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই। এজন্য প্রণোদনার ঋণ ঠিক মতো বিতরণের পাশাপাশি সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ দিতে হবে। এসএমই খাতে ৫ থেকে ৭ বছর মেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, শিল্প ঋণ পুনঃতফসিলে ডাউনপেমেন্টের হার সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ শতাংশ নির্ধারণ করলে দেশের শিল্পায়ন সহজ হবে। সভা থেকে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয়করের হার সাড়ে ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার দাবি জানান তিনি।

এবিবির চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার বলেন, খোলাপি ঋণ সবার জন্য ক্ষতির কারণ। ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের থেকে অর্থ আদায়ে প্রয়োজনে এফবিসিসিআই থেকে ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রণোদনার ঋণ কোনো অনুদান না, এটা ঋণ। ব্যাংকগুলোকেই এ টাকা ফেরত আনতে হবে। ফলে ব্যাংকগুলো দেখেশুনে ঋণ দেবে এটাই স্বাভাবিক। আর বড় ঋণ যতো সহজে দেওয়া যায় এসএমই ঋণ ততো সহজে দেওয়া যায় না।

এছাড়া এসএমইসহ সব ঋণে ৯ শতাংশ সুদ নির্ধারণের পর খরচ বিবেচনায় অনেকে এ খাতে ঋণ দিতে হয়তো অনীহা দেখাচ্ছে। এরপরও প্রণোদনার আতায় প্রায় ৮০ শতাংশ ঋণ বিতরণ হয়েছে। এটা সন্তোষজনক বলে দাবি করেন এবিবির চেয়ারম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এফবিসিসিআইয়ের

আপডেট সময় ০৫:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে এফবিসিসিআই’র মতবিনিময় সভায় এমন দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি মো. জসিস উদ্দিন।

রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবির চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুসহ অনেকেই বক্তব্য দেন। সরকারি-বেসরকারি ৩২টি ব্যাংকের এমডি এতে উপস্থিত ছিলেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমই খাতকে এগিয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই। এজন্য প্রণোদনার ঋণ ঠিক মতো বিতরণের পাশাপাশি সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ দিতে হবে। এসএমই খাতে ৫ থেকে ৭ বছর মেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, শিল্প ঋণ পুনঃতফসিলে ডাউনপেমেন্টের হার সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ শতাংশ নির্ধারণ করলে দেশের শিল্পায়ন সহজ হবে। সভা থেকে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয়করের হার সাড়ে ৩৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করার দাবি জানান তিনি।

এবিবির চেয়ারম্যান ও ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার বলেন, খোলাপি ঋণ সবার জন্য ক্ষতির কারণ। ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের থেকে অর্থ আদায়ে প্রয়োজনে এফবিসিসিআই থেকে ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রণোদনার ঋণ কোনো অনুদান না, এটা ঋণ। ব্যাংকগুলোকেই এ টাকা ফেরত আনতে হবে। ফলে ব্যাংকগুলো দেখেশুনে ঋণ দেবে এটাই স্বাভাবিক। আর বড় ঋণ যতো সহজে দেওয়া যায় এসএমই ঋণ ততো সহজে দেওয়া যায় না।

এছাড়া এসএমইসহ সব ঋণে ৯ শতাংশ সুদ নির্ধারণের পর খরচ বিবেচনায় অনেকে এ খাতে ঋণ দিতে হয়তো অনীহা দেখাচ্ছে। এরপরও প্রণোদনার আতায় প্রায় ৮০ শতাংশ ঋণ বিতরণ হয়েছে। এটা সন্তোষজনক বলে দাবি করেন এবিবির চেয়ারম্যান।