ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দুদকের মামলায় সাবেক ডেপুটি গভর্নরের ৩ বছরের কারাদণ্ড রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি বাসার সামনে গল্প করছিল এইচএসসি পরীক্ষার্থী, হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রত্যেক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ দাবানলে ঝুঁকিতে ফ্রান্সের মিসাইল-রকেট মোটর কারখানা, স্পেনও সংকটে ইরানে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ শুরু আগামী মাসে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল জজ হলেন বাংলাদেশি নূসরাত

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মার্কিন ফেডারেল কোর্টে এই প্রথম একজন বাংলাদেশি আমেরিকান জজ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তার নাম নূসরাত জাহান চৌধুরী (৪৪)। বেশ ক’বছর থেকেই আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের আইনগত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ইউএস সিনেটের লিডার এবং নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর (ডেমক্র্যাট) চাক শ্যুমারের সুপারিশে নূসরাত চৌধুরীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে জেসিকা ক্লার্ক (৩৮) এবং নীনা মরিসন (৫১) নামের আরও দুই নারীকে ইউএস ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজনেরই প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনায় উজ্জীবিত বলে সর্বত্র পরিচিতি রয়েছে। সিনেটরের অফিস থেকে ১ সেপ্টেম্বর এ তথ্য জানানো হয়েছে এ সংবাদদাতাকে। এ সময় প্রদত্ত এক বিবৃতিতে চাক শ্যুমার বলেছেন, নূসরাত ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি হিসেবে এবং দ্বিতীয় মুসলিম জজ হিসেবে-যিনি ফেডারেল কোর্টে বসবেন। মানবাধিকার এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত আইনে সম্যক ধারণা রাখা নূসরাত ইতিমধ্যেই নিজের বিচক্ষণতা প্রদর্শনে সক্ষম হয়েছেন। একেবারেই শেকড় থেকে অপরাধের ধরণ নির্ণয় এবং অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানে তার এই অভিজ্ঞতা বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।

ফেডারেল কোর্টের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে এই তিন নারীর নিয়োগ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দিত হচ্ছে। তিনজনেরই নাম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দফতরে প্রেরণ করা হয়েছে একইসাথে।

নূসরাত চৌধুরী মূলত ইলিনয় স্টেটে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের এটর্নি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন গত বছর থেকে। মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্নে ন্যায়-বিচার নিয়ে কর্মরত ২০ জন এটর্নির একটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন নূসরাত। এর আগে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের ন্যাশনাল অফিসে বর্ণ-বিচার বিষয়ক প্রোগ্রামের ডাইরেক্টর ছিলেন ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। এই নাগরিক অধিকার সংস্থায় সারা আমেরিকায় কর্মরত সকল এটর্নির মধ্যে নূসরাতকে শীর্ষ স্থানীয় তিনজনের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আরও উল্লেখ্য, নূসরাত চৌধুরী গ্র্যাজুয়েশন করেছেন বিশ্বখ্যাত ইয়েল ল’ স্কুল থেকে। সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নে যোগদানের আগে নূসরাত নিউইয়র্ক সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের ক্লার্ক এবং সেকেন্ড সার্কিট ইউএস কোর্ট অব আপিলের জজ ব্যারিঙ্গটন পার্কারের সাথেও কাজ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল জজ হলেন বাংলাদেশি নূসরাত

আপডেট সময় ০৬:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

মার্কিন ফেডারেল কোর্টে এই প্রথম একজন বাংলাদেশি আমেরিকান জজ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তার নাম নূসরাত জাহান চৌধুরী (৪৪)। বেশ ক’বছর থেকেই আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের আইনগত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ইউএস সিনেটের লিডার এবং নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর (ডেমক্র্যাট) চাক শ্যুমারের সুপারিশে নূসরাত চৌধুরীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে জেসিকা ক্লার্ক (৩৮) এবং নীনা মরিসন (৫১) নামের আরও দুই নারীকে ইউএস ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট এবং সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত তিনজনেরই প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনায় উজ্জীবিত বলে সর্বত্র পরিচিতি রয়েছে। সিনেটরের অফিস থেকে ১ সেপ্টেম্বর এ তথ্য জানানো হয়েছে এ সংবাদদাতাকে। এ সময় প্রদত্ত এক বিবৃতিতে চাক শ্যুমার বলেছেন, নূসরাত ইতিহাস সৃষ্টি করলেন বাংলাদেশি হিসেবে এবং দ্বিতীয় মুসলিম জজ হিসেবে-যিনি ফেডারেল কোর্টে বসবেন। মানবাধিকার এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত আইনে সম্যক ধারণা রাখা নূসরাত ইতিমধ্যেই নিজের বিচক্ষণতা প্রদর্শনে সক্ষম হয়েছেন। একেবারেই শেকড় থেকে অপরাধের ধরণ নির্ণয় এবং অপরাধীকে যথাযথ শাস্তি প্রদানে তার এই অভিজ্ঞতা বিচার ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ রাখতে অপরিসীম ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছি।

ফেডারেল কোর্টের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে এই তিন নারীর নিয়োগ বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দিত হচ্ছে। তিনজনেরই নাম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দফতরে প্রেরণ করা হয়েছে একইসাথে।

নূসরাত চৌধুরী মূলত ইলিনয় স্টেটে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের এটর্নি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন গত বছর থেকে। মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্নে ন্যায়-বিচার নিয়ে কর্মরত ২০ জন এটর্নির একটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন নূসরাত। এর আগে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের ন্যাশনাল অফিসে বর্ণ-বিচার বিষয়ক প্রোগ্রামের ডাইরেক্টর ছিলেন ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। এই নাগরিক অধিকার সংস্থায় সারা আমেরিকায় কর্মরত সকল এটর্নির মধ্যে নূসরাতকে শীর্ষ স্থানীয় তিনজনের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আরও উল্লেখ্য, নূসরাত চৌধুরী গ্র্যাজুয়েশন করেছেন বিশ্বখ্যাত ইয়েল ল’ স্কুল থেকে। সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নে যোগদানের আগে নূসরাত নিউইয়র্ক সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের ক্লার্ক এবং সেকেন্ড সার্কিট ইউএস কোর্ট অব আপিলের জজ ব্যারিঙ্গটন পার্কারের সাথেও কাজ করেন।