ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৫৩৮৫ কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ১৮১ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

সরকারের দেওয়া ২ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি মহামারির কারণে বিদেশ ভ্রমণ কমে যাওয়ায় ধারাবাহিকভাবে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে রেমিটেন্স কমেছে ৫২২ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৩৯ কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১৩৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৬ কোটি ২৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ১১ কোটি এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় গত ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। অর্থবছরের হিসাবে এ যাবতকালে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ২০২০-২১ অর্থবছরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৫৩৮৫ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ১৮১ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

সরকারের দেওয়া ২ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি মহামারির কারণে বিদেশ ভ্রমণ কমে যাওয়ায় ধারাবাহিকভাবে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে রেমিটেন্স কমেছে ৫২২ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৩৯ কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১৩৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৬ কোটি ২৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ১১ কোটি এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় গত ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। অর্থবছরের হিসাবে এ যাবতকালে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ২০২০-২১ অর্থবছরে।