ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্প আত্মসাৎ: ৩১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নতুন যে বার্তা দিল জাতিসংঘ বিশ্বকাপ খেলতে চায় বাংলাদেশও, বন্ধ হয়নি সব দরজা : বুলবুল নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ ভূমিধস, বহু মানুষ নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান জোরদার

আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৫৩৮৫ কোটি টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ১৮১ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

সরকারের দেওয়া ২ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি মহামারির কারণে বিদেশ ভ্রমণ কমে যাওয়ায় ধারাবাহিকভাবে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে রেমিটেন্স কমেছে ৫২২ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৩৯ কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১৩৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৬ কোটি ২৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ১১ কোটি এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় গত ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। অর্থবছরের হিসাবে এ যাবতকালে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ২০২০-২১ অর্থবছরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ডের দাম ১ বিলিয়ন ডলার, ট্রাম্পের হয়ে ডেনমার্ককে পুতিনের খোঁচা

আগস্টে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৫৩৮৫ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি বছরের আগস্ট মাসে প্রবাসীরা ১৮১ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা।

সরকারের দেওয়া ২ শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি মহামারির কারণে বিদেশ ভ্রমণ কমে যাওয়ায় ধারাবাহিকভাবে বৈধ চ্যানেলে রেমিটেন্স বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই মাসের তুলনায় আগস্ট মাসে রেমিটেন্স কমেছে ৫২২ কোটি টাকা। চলতি বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ৩৯ কোটি ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১৩৭ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৪ লাখ ডলার। দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৫০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার এসেছে। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংক প্রায় ১৮ কোটি ৮০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৬ কোটি ২৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ১১ কোটি এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার। এই সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের মাধ্যমে কোনো রেমিটেন্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ একের পর এক রেকর্ড গড়ছে। এর সঙ্গে বৈদেশিক ঋণ সহায়তা যোগ হওয়ায় গত ২৪ আগস্ট রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে আসে। যা আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। অর্থবছরের হিসাবে এ যাবতকালে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে ২০২০-২১ অর্থবছরে।