আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
একরাম-কাদের মির্জাকে ইঙ্গিত করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাগ্নে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেছেন, কোম্পানীগঞ্জে অপরাজনীতি বন্ধ করতে হলে, যিনি অভিযোগ করছেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন; দুজনকেই অব্যাহতি দেওয়া হোক। দেখা যাক আওয়ামী লীগ ঠিকমতো চলে কিনা।
শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু বলেন, যারা অপরাজনীতি করে, আওয়ামী লীগকে নিজের সম্পত্তি মনে করে, তারা এ দলটাকে শেষ করে দিয়েছে। আওয়ামী লীগের যে আদর্শিক চরিত্র সেটির ওপর একের পর এক আঘাত করা হচ্ছে। এ শোকের মাসেও কয়েকজন কর্মীকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। হাত-পা ভাঙা হয়েছে। ব্যক্তি বিশেষের হীনরাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য।
তিনি বলেন, আমরা কারও পক্ষ নই। আমাদের নেতা শেখ হাসিনা, আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের। আমরা উপজেলায় রাজনীতি করি, জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে মাথাও ঘামাই না। আমরা শুধু চেয়েছি কোম্পানীগঞ্জের অপরাজনীতি বন্ধ হোক।
মুখপাত্র বলেন, কোম্পানীগঞ্জে আজ কেউই নিরাপদে নেই। কারও কারও আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে এখানে কেউ কেউ এত বেশি আস্ফালন দেখাচ্ছেন, তিনি নিজেই জানেন না তার অবস্থানটি কী। আমাদের কাছে সবার তথ্য ও ডাটা আছে প্রমাণসহ। কারও সম্মান থাকবে না।
আমি শুধু দলের সভানেত্রী এবং সাধারণ সম্পাদকের কাছে শোকের মাসে অনুরোধ জানাব— কোম্পানীগঞ্জের দলের নেতাকর্মীকে ও আওয়ামী লীগকে রক্ষা করুন। কোম্পানীগঞ্জের প্রশাসন তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষের নামে এখানে নিরীহ নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা সামাজিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হচ্ছে।
মঞ্জু অভিযোগ করেন, পৌরসভায় বসে আমাদের এবং দলের কিছু শীর্ষ নেতার তালিকা করা হয়। দিকনির্দেশনা দেওয়া হয় তাদের গ্রেফতারের এবং তাদের হাত-পা ভাঙার। কাউকে কাউকে জানে মেরে ফেলারও পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আস্থার ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের প্রতি আহ্বান জানাব— যারা অপরাজনীতি করছে, তাদের দল থেকে বের করে দেন। যত তাড়াতাড়ি করবেন, তত তাড়াতাড়ি কর্মীরা রক্ষা পাবেন, দল রক্ষা পাবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















