ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টায় অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ৭ আগস্ট থেকে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হতে চলেছে। ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সিনোফার্মের টিকা আছে ৪৩ লাখ ডোজ, আগামী দুই সপ্তাহে কত টিকা আসবে, কীভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার আমরা করেছি। সমস্ত পরিকল্পনা নির্ভর করে অন্যান্য অনুষঙ্গের সহায়তার ওপর। টিকার সরবরাহ যদি ঠিক থাকে, পর্যাপ্ত টিকা যদি আমাদের হাতে থাকে, তাহলে এই পরিমাণ টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আমরা রাখি। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করছি।

লকডাউনের কারণে যারা ঢাকার বাইরে আছেন, তারা সেখানে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ ঢাকায় এসে নিতে পারবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে ঢাকার ৫টি কেন্দ্রে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তারা সেখানে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবেন। এই বিষয়ে এখনও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

যারা করোনা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু টিকা নেওয়ার জন্য এখনও এসএমএসের অপেক্ষায় রয়েছেন, তারা কি সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেবেন নাকি এসএমএস না পেলে টিকা নিতে পারবেন না, জানতে চাইলে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, এসএমএস পেয়েই টিকাকেন্দ্রে যাওয়া উত্তম, তাহলে অহেতুক ভিড় এড়িয়ে যাওয়া যাবে। এছাড়াও আমরা জানি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে যাওয়ার চেয়ে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রটি সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই উত্তম। ফটোকপি দেখে কাগজপত্র সঠিক কি না বোঝা মুশকিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আপডেট সময় ০৫:১৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক এবং মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

বুধবার (৪ আগস্ট) দুপুর ৩টায় অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ৭ আগস্ট থেকে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হতে চলেছে। ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সিনোফার্মের টিকা আছে ৪৩ লাখ ডোজ, আগামী দুই সপ্তাহে কত টিকা আসবে, কীভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনার আমরা করেছি। সমস্ত পরিকল্পনা নির্ভর করে অন্যান্য অনুষঙ্গের সহায়তার ওপর। টিকার সরবরাহ যদি ঠিক থাকে, পর্যাপ্ত টিকা যদি আমাদের হাতে থাকে, তাহলে এই পরিমাণ টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আমরা রাখি। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করছি।

লকডাউনের কারণে যারা ঢাকার বাইরে আছেন, তারা সেখানে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজ ঢাকায় এসে নিতে পারবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে ঢাকার ৫টি কেন্দ্রে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তারা সেখানে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে পারবেন। এই বিষয়ে এখনও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

যারা করোনা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন কিন্তু টিকা নেওয়ার জন্য এখনও এসএমএসের অপেক্ষায় রয়েছেন, তারা কি সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেবেন নাকি এসএমএস না পেলে টিকা নিতে পারবেন না, জানতে চাইলে ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, এসএমএস পেয়েই টিকাকেন্দ্রে যাওয়া উত্তম, তাহলে অহেতুক ভিড় এড়িয়ে যাওয়া যাবে। এছাড়াও আমরা জানি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে যাওয়ার চেয়ে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রটি সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়াই উত্তম। ফটোকপি দেখে কাগজপত্র সঠিক কি না বোঝা মুশকিল।