ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতায় আইসিইউ সংকটে মানুষ মারা যাচ্ছে : জি এম কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, ‘এক বছর আগে সব জেলায় নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্র (আইসিইউ) বসাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে করোনা যখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তখন আইসিইউ সংকটে মানুষ মারা যাচ্ছে।’

সোমবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। জি এম কাদের বলেন, ‘ দেশের ৩৫ জেলায় এখনও আইসিইউ নেই। সব জেলায় আইসিইউ স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের আইসিইউ’র ৭৬ ভাগই ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে রাজধানীতেই ৭৩ ভাগ।’

তিনি বলেন, ‘আইইডিসিআর’বির তথ্যমতে, গেল জুন মাসে করোনা শনাক্তের ৭৮ ভাগই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট। তাই করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসিইউয়ের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সব জেলায় আইসিইউ না থাকায় কঠোর লকডাউনের মাঝে করোনা রোগী নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ছোটাছুটি করছে স্বজনরা।’

জি এম কাদের বলেন, “রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ফাঁকা নেই বললেই চলে। তাই দ্রুত বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউগুলো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, ‘রোগী বাড়লে অক্সিজেন সরবরাহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে’। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে আইসিইউয়ের জন্য হাহাকার উঠবে। আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যেতে পারে মৃত্যুর হার।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতায় আইসিইউ সংকটে মানুষ মারা যাচ্ছে : জি এম কাদের

আপডেট সময় ১০:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুলাই ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, ‘এক বছর আগে সব জেলায় নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্র (আইসিইউ) বসাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে করোনা যখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তখন আইসিইউ সংকটে মানুষ মারা যাচ্ছে।’

সোমবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। জি এম কাদের বলেন, ‘ দেশের ৩৫ জেলায় এখনও আইসিইউ নেই। সব জেলায় আইসিইউ স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের আইসিইউ’র ৭৬ ভাগই ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে রাজধানীতেই ৭৩ ভাগ।’

তিনি বলেন, ‘আইইডিসিআর’বির তথ্যমতে, গেল জুন মাসে করোনা শনাক্তের ৭৮ ভাগই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট। তাই করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসিইউয়ের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সব জেলায় আইসিইউ না থাকায় কঠোর লকডাউনের মাঝে করোনা রোগী নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় ছোটাছুটি করছে স্বজনরা।’

জি এম কাদের বলেন, “রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ফাঁকা নেই বললেই চলে। তাই দ্রুত বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউগুলো পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, ‘রোগী বাড়লে অক্সিজেন সরবরাহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে’। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে আইসিইউয়ের জন্য হাহাকার উঠবে। আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যেতে পারে মৃত্যুর হার।”