ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী আমরা ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি : মির্জা ফখরুল জুলাইয়ে দেশে এলো ৩৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স মার্কিন চুক্তির মাঝেই গাজায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ডাক ইসরাইলের স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জুলাইয়ের ভিত্তি রচিত হয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বেনজিরকে ফেরাতে ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদে যাত্রাবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ

উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, করোনা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ১১ লাখ রোহিঙ্গাও দেশে রয়েছে।

যা আমাদের সমাজ, অর্থনীতি ও পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ভার্চ্যুয়ালি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৪২তম সম্মেলনে ‘স্টেট অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার’ অংশে বাংলাদশের অবস্থা তুলে ধরে তিনি একথা বলেন।

গত বছর এপিআরসি ৩৫তম সম্মেলনে বাংলাদেশ ৩৬তম সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে মনোনীত হয়।

বাংলাদেশে খাদ্য ও কৃষির অবস্থা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ কর কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়নে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০ বছর আগে ১৯৯৯-২০০০ সালে এ সরকারের আগের আমলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে ও বর্তমান সরকার এ আমলেও তা ধরে রেখেছে। মাথাপিছু আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। ফলে খাদ্যে মানুষের প্রবেশযোগ্যতা সহজতর হয়েছে। এছাড়া, বিগত দশকে অপুষ্টি দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, চলমান কোভিড-১৯ এর শুরুতেই খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ অব্যাহত রাখা ও দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ নেন। অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনতে নানামুখী প্রণোদনা দেন। এছাড়া কৃষিখাতে করোনার প্রভাব মোকাবিলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। ফলে কোভিড পরিস্থিতি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নির্দেশনায় দেশে কৃষির উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহের ধারা অব্যাহত থাকে এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

মন্ত্রী জানান, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৬তম এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্স (এপিআরসি-৩৬) ২০২২ সালের মার্চের ৮-১১ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলন সাফল্যমণ্ডিত করতে তিনি এফএও দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।

কোভিড-১৯ এর কারণে ভার্চ্যুয়ালি ১৪-১৮ জুন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের সম্মেলন। কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ করছে। ঢাকা থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, যুগ্ম সচিব তাজকেরা খাতুন, উপসচিব আলী আকবর ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব বিধান বড়াল অংশ নিচ্ছেন। ইতালির রোম থেকে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান ও ইকনোমিক কাউন্সিলর মানস মিত্র।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবদান নিয়ে বিতর্ক তুলে যারা অনৈক্য তৈরি করেছে ব্যর্থতার দায় তাদের: এবি পার্টি

উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, করোনা, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ১১ লাখ রোহিঙ্গাও দেশে রয়েছে।

যা আমাদের সমাজ, অর্থনীতি ও পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ভার্চ্যুয়ালি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৪২তম সম্মেলনে ‘স্টেট অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার’ অংশে বাংলাদশের অবস্থা তুলে ধরে তিনি একথা বলেন।

গত বছর এপিআরসি ৩৫তম সম্মেলনে বাংলাদেশ ৩৬তম সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে মনোনীত হয়।

বাংলাদেশে খাদ্য ও কৃষির অবস্থা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ কর কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়নে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০ বছর আগে ১৯৯৯-২০০০ সালে এ সরকারের আগের আমলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে ও বর্তমান সরকার এ আমলেও তা ধরে রেখেছে। মাথাপিছু আয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। ফলে খাদ্যে মানুষের প্রবেশযোগ্যতা সহজতর হয়েছে। এছাড়া, বিগত দশকে অপুষ্টি দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বলেন, চলমান কোভিড-১৯ এর শুরুতেই খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ অব্যাহত রাখা ও দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ নেন। অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনতে নানামুখী প্রণোদনা দেন। এছাড়া কৃষিখাতে করোনার প্রভাব মোকাবিলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। ফলে কোভিড পরিস্থিতি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নির্দেশনায় দেশে কৃষির উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহের ধারা অব্যাহত থাকে এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

মন্ত্রী জানান, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৬তম এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্স (এপিআরসি-৩৬) ২০২২ সালের মার্চের ৮-১১ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এ সম্মেলন সাফল্যমণ্ডিত করতে তিনি এফএও দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।

কোভিড-১৯ এর কারণে ভার্চ্যুয়ালি ১৪-১৮ জুন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের সম্মেলন। কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ করছে। ঢাকা থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, যুগ্ম সচিব তাজকেরা খাতুন, উপসচিব আলী আকবর ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব বিধান বড়াল অংশ নিচ্ছেন। ইতালির রোম থেকে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান ও ইকনোমিক কাউন্সিলর মানস মিত্র।