ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্রাজিল নিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের বেফাঁস মন্তব্য, টুইটারে তোলপাড়

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আর্জেন্টিনা সফরে রয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ব্রাজিল নিয়ে এক বেফাঁস মন্তব্য করে বসেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

আর তা নিয়ে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে ব্রাজিলের নাগরিকদের মধ্যে। টুইটারে তোলপাড় চলছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, বুধবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ফার্নান্দেজ। বৈঠকে ইউরোপের সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন তিনি। ওই সময় ব্রাজিল নিয়ে কথা উঠলে তিনি বলেন, ব্রাজিলিয়ানরা এসেছেন জঙ্গল থেকে।

ফার্নান্দেজের ওই মন্তব্যের পর ব্রাজিলসহ বিশ্বজুড়ে টুইটারে ঝড় উঠেছে। একই সঙ্গে বুধবার আঞ্চলিক পর্যায়ে জাতিগত বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।

মূলত ব্রাজিল নয়, আর্জেন্টিনার বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষরা ইউরোপীয়। এ কথাই বোঝাতে চাইছিলেন ফার্নান্দেজ।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীকে ফার্নান্দেজ বলেন, ভারতীয়রা মেক্সিকোয় এসে বসতি গাড়ে। আর আমরা আর্জেন্টাইনরা এসেছি জাহাজ থেকে। ওই সময় ইউরোপ থেকে জাহাজে করে এসব মানুষ আর্জেন্টিনায় এসেছেন। তবে ব্রাজিলিয়ানরা এসেছেন জঙ্গল থেকে।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য প্রচারমাধ্যমে আসার পর পরই তোলপাড় শুরু হয়।তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রাজিলিয়ানদের কাছে ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

টুইটে তিনি লিখেছেন— আমার দেশে বহু বিচিত্র মানুষের বসবাস। এ জন্য আমি গর্বিত। আমি কাউকে আঘাত দিতে চাইনি। তবু কেউ যদি আঘাত পেয়ে থাকেন তা হলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।

তবে তাতে মন ভরেনি প্রতিবেশী দেশটির। ব্রাজিলের মিডিয়া ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনার ঝড় বইছে এখনও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ব্রাজিল নিয়ে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের বেফাঁস মন্তব্য, টুইটারে তোলপাড়

আপডেট সময় ০৪:২২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আর্জেন্টিনা সফরে রয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ব্রাজিল নিয়ে এক বেফাঁস মন্তব্য করে বসেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

আর তা নিয়ে তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে ব্রাজিলের নাগরিকদের মধ্যে। টুইটারে তোলপাড় চলছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, বুধবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ফার্নান্দেজ। বৈঠকে ইউরোপের সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন তিনি। ওই সময় ব্রাজিল নিয়ে কথা উঠলে তিনি বলেন, ব্রাজিলিয়ানরা এসেছেন জঙ্গল থেকে।

ফার্নান্দেজের ওই মন্তব্যের পর ব্রাজিলসহ বিশ্বজুড়ে টুইটারে ঝড় উঠেছে। একই সঙ্গে বুধবার আঞ্চলিক পর্যায়ে জাতিগত বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।

মূলত ব্রাজিল নয়, আর্জেন্টিনার বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষরা ইউরোপীয়। এ কথাই বোঝাতে চাইছিলেন ফার্নান্দেজ।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীকে ফার্নান্দেজ বলেন, ভারতীয়রা মেক্সিকোয় এসে বসতি গাড়ে। আর আমরা আর্জেন্টাইনরা এসেছি জাহাজ থেকে। ওই সময় ইউরোপ থেকে জাহাজে করে এসব মানুষ আর্জেন্টিনায় এসেছেন। তবে ব্রাজিলিয়ানরা এসেছেন জঙ্গল থেকে।

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য প্রচারমাধ্যমে আসার পর পরই তোলপাড় শুরু হয়।তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্রাজিলিয়ানদের কাছে ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছেন আলবার্তো ফার্নান্দেজ।

টুইটে তিনি লিখেছেন— আমার দেশে বহু বিচিত্র মানুষের বসবাস। এ জন্য আমি গর্বিত। আমি কাউকে আঘাত দিতে চাইনি। তবু কেউ যদি আঘাত পেয়ে থাকেন তা হলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।

তবে তাতে মন ভরেনি প্রতিবেশী দেশটির। ব্রাজিলের মিডিয়া ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনার ঝড় বইছে এখনও।