ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম ভরাট খাল উদ্ধার না হলে মুক্তি নেই জলাবদ্ধতায়: ডিএসসিসি প্রশাসক ‘রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে’:মিতু ইতালিতে ছোট ভাইকে হত্যা করে ভিডিও কলে পরিবারকে দেখাল বড় ভাই জ্যামে থাকা মাইক্রোবাসে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় চালককে ছুরিকাঘাত ইরানে আবারও হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র: পেজেশকিয়ান ‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতেই হবে’ সংস্কারের নামে’ নির্বাচন ঠেকানোর আশঙ্কা থেকেই আমাদের এই অবস্থান নিতে হয়েছে: সালাহউদ্দিন ‘ভোটের সম্মান পাকিস্তানি সরকার না দেখানোর কারণেই মুক্তিযুদ্ধ’: শফিকুর রহমান

ইসলামি বন্ড সুকুকের দ্বিতীয় নিলাম অনুষ্ঠিত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামি বন্ড সুকুকের দ্বিতীয় নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নিলামে সংগ্রহ হয়েছে ৩২৭ দশমিক ২৬ বিলিয়ন টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইজারা সুকুক নামে পরিচিত বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস) এর চূড়ান্ত নিলামে প্রচলিত এবং শরিয়াহ ভিত্তিক ৬৭টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি অংশ নিয়েছিল।

প্রচলিত বন্ড ও ট্রেজারি বিলের চেয়ে ভালো মুনাফা পাওয়ায় বিশেষ করে ব্যাংকগুলো তাদের অতিরিক্ত তারল্য সুকুক বন্ডে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সুকুকের দ্বিতীয় নিলামে শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিমা কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এছাড়াও স্পেশাল পারপাস ভেহিকেলস (এসডিভি) এর জন্য বন্ড ইস্যু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন অনুযায়ী ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে আলাদা সিকিউরিটিজ ইউনিট হচ্ছে স্পেশাল পারপস ভেহিকেলস (এসপিভি)।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমাপক (ক্রাইটেরিয়া) হিসাবে শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিমা কোম্পানিগুলো সুকুক বন্ডের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কিনতে পারবে। প্রচলিত ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিনতে পারবে ১৫ শতাংশ।

এছাড়াও প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামি শাখা ও উইন্ডোগুলোর জন্য অনুমোদন করা হবে ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে সুকুক বন্ডের ৫ শতাংশ।

একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নতুন করে মূল্য নির্ধানের ঝুঁকি না থাকায় আমরা সুকুক বন্ডে বিনিয়োগ করতে পছন্দ করি।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত প্রয়োজনীয়তা বিধিবদ্ধ নগদ জমার সংরক্ষণ হার (এসএলআর) পূরণের পর ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ব্যাংক বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস) বন্ড কেনার যোগ্য হবে।

বর্তমানে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর জন্য দৈনিক ১৩ শতাংশ নগদ জমা সংরক্ষণ হার (এসএলআর) এবং ইসলামি ব্যাংকগুলোর জন্য নগদ জমা সংরক্ষণ হার (এসএলআর) ৫ দশমিক ৫ শতাংশের বিধান রয়েছে।

ইসলামি আর্থিক নীতিমালার সম্মতিতে মুনাফার জন্য ট্রেজারি বন্ডের অনুরূপ হচ্ছে ইসলামি বন্ড সুকুক।

বিনিয়োগকারীদের ইসলামি বন্ডে বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। মুনাফা দেওয়া হয় ছয়মাস ভিত্তিতে। সুকুকের মুনাফার হার পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ট্রেজারি বন্ডের (বিজিটিবিএস) চেয়ে বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ট্রেজারি বন্ডের মুনাফার হার ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ।

সারাদেশে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রকল্প ‘সেফ ওয়াটার সাপ্লাই ফর দ্য হোল কান্ট্রি’ বাস্তবায়ন করার জন্য সুকুক বন্ড ইস্যু করে ৮০ বিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

ইসলামি বন্ড সুকুকের দ্বিতীয় নিলাম অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৫:০০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামি বন্ড সুকুকের দ্বিতীয় নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নিলামে সংগ্রহ হয়েছে ৩২৭ দশমিক ২৬ বিলিয়ন টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইজারা সুকুক নামে পরিচিত বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস) এর চূড়ান্ত নিলামে প্রচলিত এবং শরিয়াহ ভিত্তিক ৬৭টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি অংশ নিয়েছিল।

প্রচলিত বন্ড ও ট্রেজারি বিলের চেয়ে ভালো মুনাফা পাওয়ায় বিশেষ করে ব্যাংকগুলো তাদের অতিরিক্ত তারল্য সুকুক বন্ডে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সুকুকের দ্বিতীয় নিলামে শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিমা কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। এছাড়াও স্পেশাল পারপাস ভেহিকেলস (এসডিভি) এর জন্য বন্ড ইস্যু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন অনুযায়ী ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে আলাদা সিকিউরিটিজ ইউনিট হচ্ছে স্পেশাল পারপস ভেহিকেলস (এসপিভি)।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমাপক (ক্রাইটেরিয়া) হিসাবে শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিমা কোম্পানিগুলো সুকুক বন্ডের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কিনতে পারবে। প্রচলিত ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিনতে পারবে ১৫ শতাংশ।

এছাড়াও প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামি শাখা ও উইন্ডোগুলোর জন্য অনুমোদন করা হবে ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে সুকুক বন্ডের ৫ শতাংশ।

একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নতুন করে মূল্য নির্ধানের ঝুঁকি না থাকায় আমরা সুকুক বন্ডে বিনিয়োগ করতে পছন্দ করি।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত প্রয়োজনীয়তা বিধিবদ্ধ নগদ জমার সংরক্ষণ হার (এসএলআর) পূরণের পর ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ব্যাংক বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস) বন্ড কেনার যোগ্য হবে।

বর্তমানে প্রচলিত ব্যাংকগুলোর জন্য দৈনিক ১৩ শতাংশ নগদ জমা সংরক্ষণ হার (এসএলআর) এবং ইসলামি ব্যাংকগুলোর জন্য নগদ জমা সংরক্ষণ হার (এসএলআর) ৫ দশমিক ৫ শতাংশের বিধান রয়েছে।

ইসলামি আর্থিক নীতিমালার সম্মতিতে মুনাফার জন্য ট্রেজারি বন্ডের অনুরূপ হচ্ছে ইসলামি বন্ড সুকুক।

বিনিয়োগকারীদের ইসলামি বন্ডে বিনিয়োগের ওপর মুনাফার হার ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ। মুনাফা দেওয়া হয় ছয়মাস ভিত্তিতে। সুকুকের মুনাফার হার পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ট্রেজারি বন্ডের (বিজিটিবিএস) চেয়ে বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশ গর্ভনমেন্ট ট্রেজারি বন্ডের মুনাফার হার ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ।

সারাদেশে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রকল্প ‘সেফ ওয়াটার সাপ্লাই ফর দ্য হোল কান্ট্রি’ বাস্তবায়ন করার জন্য সুকুক বন্ড ইস্যু করে ৮০ বিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০২৫ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে।