ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যায় একজনের ফাঁসি কার্যকর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় আব্দুল হক নামে এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বুধবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগারে এই ফাঁসি কার্যকর হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ছাড়াও রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকালে আব্দুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন। এরপর সন্ধ্যায় জেলা কারাগার মসজিদের ইমাম কারা অভ্যন্তরে গিয়ে আব্দুল হককে তওবা পাঠ করান। ফাঁসি কার্যকরের পর মৃত্যু নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে আব্দুল হক কারাগারে বন্দি ছিলেন। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত আছির উদ্দীনের ছেলে। আব্দুল হক ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।

পরে তার শাশুড়ি ৯ ফেব্রুয়ারি মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আব্দুল হককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে সাজা বহাল থাকায় সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন আব্দুল হক। রাষ্ট্রপতি সবকিছু বিবেচনায় গত ১৮ মে প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

সুত্র জানায়, দিনাজপুর জেলা কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অহিদুল ইসলাম নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে জল্লাদ হিসেবে আনা হয়। দিনাজপুর জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন লাল রুমাল ফেলে ফাঁসির সংকেত দেন বলে জানা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যায় একজনের ফাঁসি কার্যকর

আপডেট সময় ১২:৪২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় আব্দুল হক নামে এক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বুধবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগারে এই ফাঁসি কার্যকর হয়।

এসময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ছাড়াও রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকালে আব্দুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎ করেন। এরপর সন্ধ্যায় জেলা কারাগার মসজিদের ইমাম কারা অভ্যন্তরে গিয়ে আব্দুল হককে তওবা পাঠ করান। ফাঁসি কার্যকরের পর মৃত্যু নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ২৮ আগস্ট থেকে আব্দুল হক কারাগারে বন্দি ছিলেন। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত আছির উদ্দীনের ছেলে। আব্দুল হক ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।

পরে তার শাশুড়ি ৯ ফেব্রুয়ারি মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আব্দুল হককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে সাজা বহাল থাকায় সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেন আব্দুল হক। রাষ্ট্রপতি সবকিছু বিবেচনায় গত ১৮ মে প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

সুত্র জানায়, দিনাজপুর জেলা কারাগারে ফাঁসি কার্যকর করতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অহিদুল ইসলাম নামে এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে জল্লাদ হিসেবে আনা হয়। দিনাজপুর জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন লাল রুমাল ফেলে ফাঁসির সংকেত দেন বলে জানা যায়।