ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মোবাইল-ক্যামেরা নিতে বাধা দেয়ায় মুন্নাকে গলা কেটে খুন করা হয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা এলাকার বহুল আলোচিত ঢাকা উত্তরা শাহিন ক্যাডেট স্কুলের মেধাবী ছাত্র তৌসিফুল ইসলাম মুন্নার হত্যা মামলার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

মা-বাবা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ঘরে একা পেয়ে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠনে বাধা দেয়ায় ও লুটেরাদের চিনে ফেলায় গলা কেটে ও পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করা হয় মুন্নাকে।

এ হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের চকমোকামিয়া এলাকার কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (২৫), জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের জাকিরপাড়া এলাকার ওশমান আলীর ছেলে মো. মোফাজ্জলকে (৩১) সোমবার রাতে টঙ্গীর গাজীপুরার শিকদার মার্কেট ও সুমন মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই গাজীপুর সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে (১৪) টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা সুমন মার্কেটের জনৈক হাবিবুর রহমানের চতুর্থ তলার ভাড়াবাসায় একা রেখে তার মা মোছা. হামিদা আক্তার মুকুল ছোট ছেলে তামিমকে নিয়ে স্থানীয় আবু তালেব মডেল একাডেমিতে যান এবং এর পূর্বে সকাল ৭টার দিকে মুন্নার পিতা মিজানুর রহমান (জাহাঙ্গীর) তার কর্মস্থল ঢাকায় চলে যায়।

মুন্নার মা হামিদা আক্তার মুকুল সকাল সোয়া ১০ টায় স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তৌসিফুল ইসলাম মুন্না বেডরুমে খাটের উপর উপুড় হয়ে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে এ সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা মিজানুর রহমান টঙ্গী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের শনাক্ত করতে পিবিআই গাজীপুর জেলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় এবং ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ঘটনার দিন সকাল ৯টার সময় বাসায় ভিকটিম এর বাবা ও মা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ডেকে দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠন করার সময় ভিকটিম বাধা দিলে তাকে গলা কেটে করে এবং পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, মূলত চুরি করার উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এবং ভিকটিম আসামিদেরকে চিনে ফেলায় তারা মুন্নাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মোবাইল-ক্যামেরা নিতে বাধা দেয়ায় মুন্নাকে গলা কেটে খুন করা হয়

আপডেট সময় ১০:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা এলাকার বহুল আলোচিত ঢাকা উত্তরা শাহিন ক্যাডেট স্কুলের মেধাবী ছাত্র তৌসিফুল ইসলাম মুন্নার হত্যা মামলার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

মা-বাবা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ঘরে একা পেয়ে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠনে বাধা দেয়ায় ও লুটেরাদের চিনে ফেলায় গলা কেটে ও পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করা হয় মুন্নাকে।

এ হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের চকমোকামিয়া এলাকার কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (২৫), জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের জাকিরপাড়া এলাকার ওশমান আলীর ছেলে মো. মোফাজ্জলকে (৩১) সোমবার রাতে টঙ্গীর গাজীপুরার শিকদার মার্কেট ও সুমন মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই গাজীপুর সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে (১৪) টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা সুমন মার্কেটের জনৈক হাবিবুর রহমানের চতুর্থ তলার ভাড়াবাসায় একা রেখে তার মা মোছা. হামিদা আক্তার মুকুল ছোট ছেলে তামিমকে নিয়ে স্থানীয় আবু তালেব মডেল একাডেমিতে যান এবং এর পূর্বে সকাল ৭টার দিকে মুন্নার পিতা মিজানুর রহমান (জাহাঙ্গীর) তার কর্মস্থল ঢাকায় চলে যায়।

মুন্নার মা হামিদা আক্তার মুকুল সকাল সোয়া ১০ টায় স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তৌসিফুল ইসলাম মুন্না বেডরুমে খাটের উপর উপুড় হয়ে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে এ সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা মিজানুর রহমান টঙ্গী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের শনাক্ত করতে পিবিআই গাজীপুর জেলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় এবং ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ঘটনার দিন সকাল ৯টার সময় বাসায় ভিকটিম এর বাবা ও মা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ডেকে দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠন করার সময় ভিকটিম বাধা দিলে তাকে গলা কেটে করে এবং পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, মূলত চুরি করার উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এবং ভিকটিম আসামিদেরকে চিনে ফেলায় তারা মুন্নাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।