ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।