ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন ৩ পুলিশ অফিসারের মা

আপডেট সময় ১০:৪১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ছেলেরা পুলিশ অফিসার, এর পরও উন্নত চিকিৎসার অভাবে ভুগছেন বরিশালের বাবুগঞ্জের মোছা. মনোয়ারা বেগম (৭০)। এর আগে খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু এখন তাও পারছেন না। কারণ বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হাঁটতে পারছেন না। জানা গেছে, এই হতভাগ্য বৃদ্ধার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করেন। তার একমাত্র মেয়ে সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউ তার খোঁজ-খবর রাখছেন তারা।

জানা গেছে, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।

এ ব্যাপারে মনোয়ারার এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনোরকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ-খবর রাখেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এসআই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেকবার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।