ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পালা, নইলে সবাইকে মারব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পালা, নইলে সবাইকে মারব

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’