ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

পালা, নইলে সবাইকে মারব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পালা, নইলে সবাইকে মারব

আপডেট সময় ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার জের ধরে সেনাবাহিনী নতুন অভিযান শুরু করে। উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে প্রত্যন্ত দুটি গ্রামে রয়েছে হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। প্রাণ বাঁচাতে পালানোর পথ খুঁজছে তারা। তারা খাবার পাচ্ছে না। তাদের ভাষ্য, প্রতিনিয়ত চলছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার।

রয়টার্সের বিশেষ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আহ নাউক পিন নামের ওই গ্রামের রোহিঙ্গাদের কথা। গ্রামের বাসিন্দা মং মং রয়টার্সকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। শিগগিরই আমরা খাদ্যাভাবে মারা যাব। তারা আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।’

রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর তারা নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। এরপর প্রয় ৪ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। ওই গ্রামের আরো এক রোহিঙ্গার সঙ্গে যোগাযোগ হয় রয়টার্সের। নাম প্রকাশে রাজি হননি তিনি। বলেন, ‘আমাদের গ্রামে স্থানীয় রোহিঙ্গা বিরোধীরা বারবার আসছে। চিৎকার করে বলছে, পালাও, না হলে তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলব।’