ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শাহ আমানতে রান্নার সরঞ্জামে সোনা পাচার, আটক ১

বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ বহাল রাখলো ইউরোপিয়ান কোর্ট

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পুরো মুখ ঢেকে রাখা নেকাবের ওপর বেলজিয়ামে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস। ২০১১ সালের জুনে নেকাব নিষিদ্ধ করে বেলজিয়াম। এর বিরুদ্ধে ওই কোর্টে আবেদন করেন দু’জন মুসলিম নারী। তাদের একজন বেলজিয়ামের সামিয়া বেলকাসেমি এবং অন্যজন মরক্কোর ইয়ামিনা আউসার। কিন্তু আদালত বলেছে, বেলজিয়াম যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেটাই ঠিক। কারণ, এর মধ্য দিয়ে সমাজে অন্যদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকবে। একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

বেলজিয়ামে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে আংশিক বা পুরো মুখ ঢেকে, মুখোশ পড়ে বা কোনোভাবে মুখ আড়াল করে চলাফেরা করা নিষিদ্ধ। এ নির্দেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানা করা হবে। আবার সাত দিন পর্যন্ত জেলও হতে পারে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপিয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের এপ্রিলে নেকাব নিষিদ্ধ করে ফ্রাঞ্চ। এর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করা হলে ২০১৪ সালে ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস তার রায় দিয়েছে। ওই সময় আদালতে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছিল যে, এই নিষেধাজ্ঞায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ব্যক্তিবিশেষের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কিন্তু আদালত এ যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বেলজিয়ামের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে যে দু’নারী আবেদন করেছিলেন তারা বলেছিলেন, তারা নিজেরা নেকাব পরার স্বাধীনতা বেছে নিয়েছেন। কিন্তু বেলজিয়ামের ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের সেই অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং ওই নিষেধাজ্ঞা বৈষম্যমুলক। উল্লেখ্য, বেলজিয়ামে নেকাব নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও সেদেশের অনেক নারী নেকাব বা বোরকা পরা অব্যাবহ রাখেন। তবে সামাজিক চাপ বৃদ্ধি ও তাদেরকে জরিমানার ভয় যখন শুরু হয় তখন তারা এগুলো পরা বাদ দেন। এখন ইউরোপিয় কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস যে রায় দিয়েছে সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ইয়ামিনা আউসার। তিনি বলেছেন, এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঘরেই অবস্থান করবো। বাইরে বেরুবো না।