ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় : কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড কিমের, শাস্তি পাবে ৩ প্রজন্ম!

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এবার সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় এক কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। জানা গেছে, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। তিনি ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দিয়েছিলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

এর মধ্যে নিষেধাজ্ঞার কারণে এক প্রকার বাধ্য হয়ে সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। যদিও তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে এই অর্ডার বাতিল করে কঠিন এক আইনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

ডেইলি এনকে আরও জানায়, উত্তর কোরিয়ার এই আইন এতটাই কড়া যে ‘অপরাধী’ হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় : কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড কিমের, শাস্তি পাবে ৩ প্রজন্ম!

আপডেট সময় ০৫:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এবার সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনায় এক কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। জানা গেছে, উত্তর কোরিয়ার ৫০ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা ডেপুটি ডিরেক্টর পদমর্যাদার। তিনি ইউরোপ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম আনার বদলে চীন থেকে সস্তায় অর্ডার দিয়েছিলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ডেইলি এনকে জানায়, যে হাসপাতালের জন্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা হচ্ছিল তার কাজ গত বছর শুরু হলেও এখনও উদ্বোধন করা যায়নি। কিমের নির্দেশ ছিল গত অক্টোবরের ভেতরে সব কাজ শেষ করতে হবে।

এর মধ্যে নিষেধাজ্ঞার কারণে এক প্রকার বাধ্য হয়ে সস্তায় চীন থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম অর্ডার দেন উত্তর কোরিয়ার ওই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। যদিও তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে এই অর্ডার বাতিল করে কঠিন এক আইনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন কিম জং উন।

ডেইলি এনকে আরও জানায়, উত্তর কোরিয়ার এই আইন এতটাই কড়া যে ‘অপরাধী’ হিসেবে শাস্তি দেয়া ওই কর্মকর্তার পরের তিন প্রজন্মকেও শাস্তি ভোগ করতে হতে পারে। ১৯৮০ সালের দিকে ‘অপরাধীর বীজ’ নির্মূলের লক্ষ্যে এই নিয়ম চালু হয় দেশটিতে।