ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির তদন্ত শুরু হওয়ায় ক্ষিপ্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যে নির্বাচনী কমিশনের তদন্তের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ডাউনিং স্ট্রিটে তার ফ্ল্যাটের সংস্কারকাজের অর্থায়ন নিয়ে এ তদন্ত শুরু হয়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বরিস জনসনের ফ্ল্যাটটির সংস্কার কাজের অর্থায়নে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে সন্দেহ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। কীভাবে সংস্কারের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়েছিল তা ঘোষণা করার জন্য জনসন ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছেন। অনুদান প্রাপ্তি বিধিবিরোধী নয়, তবে রাজনীতিবিদদের অবশ্যই এগুলি ঘোষণা করতে হবে যাতে জনগণ দেখতে পায় কে তাদের অর্থ দিয়েছে এবং তাদের সিদ্ধান্তে এর কোনো প্রভাব ছিল কিনা। এ জাতীয় তহবিল যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার ক্ষমতা আছে কমিশনের এবং উপযুক্ত কারণ দেখলে তারা জরিমানা ধার্য করতে পারে বা পুলিশকে অভিযোগ দিতে পারে।

বুধবার লেবার পার্টির স্যার কায়ার স্টারমার জনসনকে সংস্কারের প্রাথমিক চালানের জন্য অর্থ প্রদানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে চাপ দিয়েছিলেন।
এতে ক্ষিপ্ত হন জনসন। তিনি বলেন, আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতির তদন্ত শুরু হওয়ায় ক্ষিপ্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যে নির্বাচনী কমিশনের তদন্তের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ডাউনিং স্ট্রিটে তার ফ্ল্যাটের সংস্কারকাজের অর্থায়ন নিয়ে এ তদন্ত শুরু হয়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বরিস জনসনের ফ্ল্যাটটির সংস্কার কাজের অর্থায়নে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে সন্দেহ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। কীভাবে সংস্কারের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়েছিল তা ঘোষণা করার জন্য জনসন ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছেন। অনুদান প্রাপ্তি বিধিবিরোধী নয়, তবে রাজনীতিবিদদের অবশ্যই এগুলি ঘোষণা করতে হবে যাতে জনগণ দেখতে পায় কে তাদের অর্থ দিয়েছে এবং তাদের সিদ্ধান্তে এর কোনো প্রভাব ছিল কিনা। এ জাতীয় তহবিল যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার ক্ষমতা আছে কমিশনের এবং উপযুক্ত কারণ দেখলে তারা জরিমানা ধার্য করতে পারে বা পুলিশকে অভিযোগ দিতে পারে।

বুধবার লেবার পার্টির স্যার কায়ার স্টারমার জনসনকে সংস্কারের প্রাথমিক চালানের জন্য অর্থ প্রদানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে চাপ দিয়েছিলেন।
এতে ক্ষিপ্ত হন জনসন। তিনি বলেন, আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি।